নিরাপত্তা শঙ্কা
পাকিস্তানের দুই প্রদেশ ও এক অঞ্চলে ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত
আফগানিস্তানের সঙ্গে শুক্রবার শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে পাকিস্তানে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে দেশটির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে ড্রোন ওড়ানো সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।
দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া ও সিন্ধু প্রদেশ এবং গিলগিট বালতিস্তান অঞ্চল নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক সরকার শুক্রবার পুরো প্রদেশে উন্মুক্ত স্থানে ড্রোন ওড়ানোর ওপর ‘অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করেছে। প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্র দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানিয়ে বলা হয়, আগামী ৩০ দিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
তবে হল বা প্যান্ডেলের মতো অভ্যন্তরীণ জায়গায় ছোট ড্রোনের মাধ্যমে ভিডিও করা এবং গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ড্রোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখাওয়ার বিভিন্ন সরকারি ভবন ও স্থাপনায়, বিশেষ করে প্রদেশটির দক্ষিণাঞ্চলে কোয়াডকপ্টার বা মনুষ্যবিহীন আকাশযানের (ইউএভি) সাহায্যে দূরনিয়ন্ত্রিত হামলা চালানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ড্রোন বা কোয়াডকপ্টারের যেকোনো ব্যবহার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি জননিরাপত্তা, সরকারি অবকাঠামো রক্ষা এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় ঝুঁকি।
এদিকে, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সরকার বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সেখানে খোলা জায়গায় ড্রোন ও কোয়াডকপ্টার বা ইউএভি ওড়ানোর ওপর ‘অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করেছে।
শুক্রবার প্রাদেশিক সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে কার্যকর হবে। আগামী ৬০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ড্রোন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
গিলগিট বালতিস্তান অঞ্চলে ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ করে অঞ্চলটির পুলিশের মুখপাত্র জানান, দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে কার্যকর হবে। নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের পেশাগত প্রয়োজনে ড্রোন ব্যবহার করতে পারবে।
সূত্র: ডন।
