ফলোআপ
দলীয় পদ হারালেও জুয়া চালনায় শক্ত অবস্থানে আমান
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ভোরের কাগজে সংবাদ প্রকাশের পর বাড্ডা থানা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহ্বায়ক পদ হারালেও, জুয়া পরিচালনায় আগের অবস্থান শক্তভাবেই ধরে রেখেছেন ‘ক্যাসিনো আমান’। আর এখন তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে এলাকার আরো দুই কুখ্যাত জুয়া ব্যবসায়ী রফিক ও দিলীপ দাস। এই দিলীপ দাস ওরফে বিশু স্থানীয় যুবলীগের পরিচিত মুখ।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ভাটারা থানা এলাকাতেই আগের ঠিকানা পাল্টে এখন আরো বড় পরিসরে ১৫৫ নয়ানগর, রায়হান মসজিদের গলির স্থানীয় বিএনপি নেতা সাইদুলের বাড়িতে আমান-রফিক-দিলীপ গং জমজমাট কাটাকাটি বা ফ্ল্যাশ জুয়ার আসর চালিয়ে যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিকে কাছাকাছি আরেকটি লোকেশনেও জুয়া খেলা চালাচ্ছে এই একই গং। ১১১/১ কুড়িল বিশ্বরোড (কুড়াতলি বাজার রোড) ঠিকানায় একটি গোপন ঘরেও প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে আমান-রফিক-দিলীপের জুয়ার আসর।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই জুয়ার আসরে অস্বাভাবিক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে টাকার লেনদেন, জুয়ার আসর আর রহস্যময় যাতায়াত।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা পরিবার নিয়ে থাকি। কিন্তু প্রতিদিন এই পরিবেশ দেখে আতঙ্কে থাকি।’
সবচেয়ে বিতর্কিত অভিযোগটি উঠেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঘিরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভাটারা থানা পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে এখানে। আর জুয়া পরিচালনাকারীরাও গর্বের সঙ্গে ‘থানায় যোগাযোগ’ রয়েছে বলে দম্ভ করে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি একজনের কাছ থেকে ফোনে অভিযোগ পেয়ে সেখানে টিম পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু তারা এমন কোনো জুয়ার আসর খুঁজে পায়নি’।
