কলকাতায় আটকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল, দিল্লিতে জিম্বাবুয়ে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
ছবি : সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও এখনও ভারত ছাড়তে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে দল। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা সীমিত হয়ে পড়ায় নির্ধারিত সময়ে দেশে ফিরতে পারেননি তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররা বর্তমানে কলকাতায় এবং জিম্বাবুয়ে দল অবস্থান করছে দিল্লিতে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার পর দুবাই বিমানবন্দর পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে সুপার এইটের শেষ ম্যাচ খেলার পরপরই দেশে ফেরার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের। পরিস্থিতির কারণে তাদের কলকাতাতেই রাখা হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ সুপার এইট ম্যাচ খেলার পর জিম্বাবুয়ে দল দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় দিল্লিতে অবস্থান করছে।
এদিকে গত শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ সুপার এইট ম্যাচ খেলে বিদায় নেওয়া পাকিস্তান দল একটি শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে কলম্বো থেকে লাহোরে ফিরেছে। তবে একই দিন সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা-পাল্টা হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশপথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। বেশ কয়েকটি এয়ারলাইনস ফ্লাইট বাতিল বা বিকল্প রুট ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সংশ্লিষ্ট সবার ভ্রমণ, লজিস্টিকস ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক আপদকালীন পরিকল্পনা সক্রিয় করা হয়েছে।
আরো পড়ুন : বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ইরান
এক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, যদিও এই সংকটের সঙ্গে টুর্নামেন্ট পরিচালনার সরাসরি সম্পর্ক নেই, তবে খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট, ম্যাচ অফিসিয়াল, সম্প্রচারকর্মী ও ইভেন্ট স্টাফদের বড় একটি অংশ দায়িত্ব শেষে দেশে ফেরার জন্য পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের হাব বিমানবন্দর, বিশেষ করে দুবাইয়ের ওপর নির্ভরশীল।
আইসিসির ট্রাভেল ও লজিস্টিকস টিম ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন হাব ব্যবহার করে বিকল্প রুট নির্ধারণে আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি সংস্থাটির নিরাপত্তা পরামর্শকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। একটি বিশেষ ট্রাভেল সাপোর্ট ডেস্কও চালু করা হয়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এখন শেষ পর্যায়ে। ৪ ও ৫ মার্চ সেমিফাইনাল এবং ৮ মার্চ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
