কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল সরঞ্জামসহ আটক ৫
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল সরঞ্জাম (ডিভাইস) ব্যবহার করার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। কারও গেঞ্জির ভেতরে, কারও জুতার ভেতরে অভিনব কায়দায় ওই সরঞ্জাম লুকানো ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষা পাসের চুক্তিতে তারা ডিজিটাল সরঞ্জাম ব্যবহার করছিলেন।
শনিবার (৯ মে) দুপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্র শেরপুর নবারুণ পাবলিক স্কুল থেকে পরীক্ষা চলাকালে তাদের আটক করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে মহিউর রহমান মশাল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে মমিনুল ইসলাম মমিন, চরশ্রীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রসুল মিয়া, পাইকারতলা গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে রায়হান হোসেন ও চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের পূর্ব খাসপাড়া গ্রামের জহুর আলীর ছেলে শান্ত মিয়া।
শেরপুর জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূন্য পদ অনুসারে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের লক্ষ্যে শারীরিক মাপ, কাগজপত্র যাচাইকরণসহ অন্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা ছিল শনিবার বেলা ১১টায়। পরীক্ষা শুরুর পর পাঁচ জন পরীক্ষার্থীর কাছে অভিনব কায়দায় গেঞ্জির ভেতরে ডিজিটাল ডিভাইস ও কানে লুকানো অবস্থায় ক্ষুদ্র এয়ার ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, ‘একটি সংঘবদ্ধ চক্র পুলিশ নিয়োগের শারীরিক পরীক্ষা পাশের পর তাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লিখিত পরীক্ষার আগে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ট্রেনিং দেয়। পরে ডিজিটাল ডিভাইস অভিনব কায়দায় তাদের শরীরে প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠায়। কারও গেঞ্জির ভেতরে, কারও জুতার ভেতরে অভিনব কায়দায় ডিভাইস লুকানো ছিল। ডিভাইস লুকানোর জন্যই এসব পরিধেয় বস্ত্র বিশেষভাবে বানানো হয়। আমরা পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করতে কাজ করছি। একইসঙ্গে পাঁচ জন আটকের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
