রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি রমানাথ পূজারি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
ছবি: প্রকৌশলী রমানাথ পূজারী
বাগেরহাটের রামপালে ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপণা পরিচালক (এমডি) পদে নিযুক্ত হয়েছেন ভারতীয় প্রকৌশলী রমানাথ পূজারী।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রাক্তন এমডি প্রকৌশলী সঙ্গীতা কৌশিকের স্থলভিষিক্ত হলেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন রমানাথ।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পূজারী ২৪ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের আগে রমানাথ পূজারী রামপালে অবস্থিত মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের (এমএসটিপিপি)-এর প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি লিমিটেডেরও নির্বাহী পরিচালক হিসেবে প্ল্যান্ট পরিচালনা, নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পরিবেশগত বিধিবিধান প্রতিপালনে রমানাথ পূজারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়। সেই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও প্রকল্প এলাকার টাউনশিপ উন্নয়নেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
১৯৬৮ সালে ভারতের ওড়িশায় জন্মগ্রহণ করা রমানাথ পূজারী ভুবনেশ্বরের কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে গুরগাঁওয়ের এমডিআই থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। এছাড়া ভারতের ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট আহমেদাবাদ এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি।
১৯৮৯ সালে রমানাথ পূজারী এনটিপিসি লিমিটেডে যোগদান করেন। বিদ্যুৎখাতে তাঁর প্রায় ৩৬ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কর্মজীবনে তিনি এনটিপিসির করপোরেট সেফটি বিভাগ পরিচালনা করেছেন এবং ছত্তিশগড়ের দুই হাজার ৯৮০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সিপাত পাওয়ার স্টেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া পরিকল্পনা ও সিস্টেম এবং আঞ্চলিক অপারেশন সার্ভিস বিভাগেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন।
উল্লেখ, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এনটিপিসি লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বাস্তবায়ন করে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দেশের মোট ৫ হাজার ৫৩১ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সরবরাহ করেছে, যা টানা দ্বিতীয় মাসের মতো রেকর্ড করা সাফল্য।
