ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হতেই রাজধানী ঢাকা অনেকটাই ফাঁকা হয়ে পড়েছে। গ্রামের বাড়িতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বিপুলসংখ্যক মানুষ এরইমধ্যে ঢাকা ছেড়েছেন। ফলে ব্যস্ত নগরী ঢাকার চিরচেনা যানজট ও কর্মচাঞ্চল্যে এখন অনেকটাই ভাটা পড়েছে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের সাধারণ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ ছুটির সমন্বয়ের অংশ হিসেবে গত ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। ছুটি শেষে আগামী ১ জুন সোমবার থেকে অফিস-আদালত ও ব্যাংকের কার্যক্রম আবারও স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।
ছুটির দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর, বনানী ও খিলক্ষেতসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা এখন অনেকটাই নিরিবিলি। সাধারণ সময়ে যেসব সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও তীব্র যানজট দেখা যায়, সেগুলোর অধিকাংশই ছিল প্রায় ফাঁকা। কোথাও কোথাও কিছু যানবাহন চলাচল করলেও তা ছিল তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক।
সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসগুলোকে দীর্ঘ সময় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে যাত্রীর অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেক বাসে আসন ফাঁকা রেখেই চলাচল করতে হচ্ছে। বাসের চালক ও হেলপাররা জানান, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে অধিকাংশ মানুষ রাজধানী ছেড়ে চলে যাওয়ায় যাত্রীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। অন্যদিকে ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল।
আরো পড়ুন : ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় রেকর্ড ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি
মিরপুর-উত্তরা রুটে চলাচলকারী প্রজাপতি পরিবহনের হেলপার সুমন বলেন, অন্যসময় সকালে বাসে দাঁড়ানোরও জায়গা থাকে না। কিন্তু এখন যাত্রী অনেক কম। দীর্ঘ সময় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থেকেও বাস ভর্তি হচ্ছে না।
একই পরিবহনের আরেক হেলপার রাসেল বলেন, ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই যাত্রী কমে গেছে। মানুষ গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় এখন আগের মতো চাপ নেই।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদেরও স্বস্তিতে কাজ করতে দেখা গেছে। সড়কে যানবাহনের চাপ কম থাকায় অধিকাংশ সিগন্যালেই তারা স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অনেক এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণেও অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়তে হয়নি তাদের।
