×

মুক্তচিন্তা

বাংলাদেশ বটমলেস বাস্কেট কথাটা কিসিঞ্জারের নয়

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১৫ পিএম

৪৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই কথাটা কিসিঞ্জার বলেছেন বলে আমরা এত বেশি বলেছি যে খোদ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডবিøউ মোজেনাই ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ প্রকাশ্য সভায় বলে গেছেন হেনরি কিসিঞ্জারের মন্তব্য ‘বাংলাদেশ ইজ এ বটমলেস বাক্সেট’ মোটেও সঠিক নয়। তিনি বলেছেন, ‘বহু সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। মানুষ খুব পরিশ্রম করে, শিগগিরই বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী দেশে পরিণত হবে।’
বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন নিয়ে প্রায়ই বক্তৃতা দেন, টকশো গরম করেন তাদের কেউ কেউ এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গেরও কেউ কেউ ‘বাংলাদেশ ইজ এ বটমলেস বাস্কেট’ কিংবা ‘বাংলাদেশ হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল বাস্কেট কেস’ এই কথা বলার দায় কিসিঞ্জারের ওপর ফেলেন। কেউ কেউ এমনভাবে বলেন যেন ঠিক তার সামনে বসে কিসিঞ্জার কথাটি বলেছেন এবং দাড়িকমা শুদ্ধ তার মনে আছে। এই নিবন্ধের শিরোনাম তাদের অসন্তুষ্ট করবে, এটাই স্বাভাবিক। ইংরেজি ভাষা জানা কোনো মানুষকে যদি বলতেই হয়, বটমলেস বাক্সেট বলবেন না, বলবেন বাস্কেট কেস। মিথ্যে যেমন বারবার বলতে বলতে সত্যে পরিণত করা যায় (গোয়েবলস চর্চা!) পাথরের মতো অনড় এই কথিত সত্যের ওপর ভর দিয়ে আরো অজস্র মিথ্যে তৈরি হয়। ভুল তথ্যও এর মুখে ওর মুখে ঘুরতে ঘুরতে সঠিক তথ্য বলেই বিবেচিত হয়। প্রেসিডেন্ট রিচার্ড এম নিক্সনের ঘনিষ্ঠজন একাত্তর-পরবর্তীকালে সেক্রেটারি অব স্টেট হেনরি কিসিঞ্জারের দায়মুক্তির জন্য নয়, অন্তত বাংলাদেশের পঞ্চাশতম বর্ষ থেকে ভুলের পুনরাবৃত্তি না করি সে উদ্দেশ্যে এই নোটটি লেখা হচ্ছে। নতুবা এমন কি বিসিএস পরীক্ষায়ও প্রশ্ন থাকতে পারে এই অপমানজনক কথাটি কে বলেছেন? আলোঘর থেকে প্রকাশিত ‘একাত্তরের দলিল ২’ গ্রন্থের ৩০তম পৃষ্ঠায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে : স্বাধীন বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক ভিক্ষার ঝুলিতে পরিণত হবেÑ এটা হেনরি কিসিঞ্জারের কথা নয়, এটা বলেছেন অ্যাম্বাসেডর এট-লার্জ আলেক্সিস জনসন। একই পৃষ্ঠায় জনসনের একটি ছবিও মুদ্রিত হয়েছে। ইউরাল আলেক্সিস জনসন জাপান, থাইল্যান্ড ও চেকোস্লোভাকিয়াতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার জন্ম ১৭ অক্টোবর ১৯০৮, মৃত্যু ২৪ মার্চ ১৯৯৭। জন্ম কানসাস অঙ্গরাজ্যে, মৃত্যু নর্থ ক্যারোলিনায়। তিনি ১৯৩৫ সালে পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগ দেন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট ফর পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স ছিলেন। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে তার নাম উচ্চারিত হয় একটি কোরীয় যুদ্ধের অস্ত্রবিরতি চুক্তি, এপোলো ১১ মিশনে চন্দ্রপৃষ্ঠে মার্কিন পতাকা উত্তোলনের ধারণা প্রদান করা এবং স্ট্র্যাটেজিক আর্মস লিমিটেশন টকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে টিম লিডারের দায়িত্ব পালন করা। তিনি উন্নয়ন ও অর্থনীতি বিষয়ের কয়েকটি গ্রন্থের লেখক; তিনি এশিয়া এক্সপার্ট হিসেবে পরিচিত ছিলেন। রাইট হ্যান্ড অব পাওয়ার নামে তার একটি স্মৃতিকথাও রয়েছে। একাত্তরেও তিনি রাষ্ট্রদূতের মর্যাদা ভোগ করতেন। একটি ভুল ও অবিবেচনাপ্রসূত মন্তব্যের জন্যও তার নাম উচ্চারিত হতে পারত, কিন্তু উচ্চারিত হয় কিসিঞ্জারের নামÑ বাংলাদেশ বটমলেস বাস্কেট নয়। ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ তখন স্বাধীনতা আন্দোলনের তুঙ্গে। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ৬ ডিসেম্বর ভারত-বাংলাদেশ-পাকিস্তান নিয়ে ওয়াশিংটনে বেশ কয়েকটি বৈঠক হয়। স্টেট ডিপার্টমেন্টের অপারেশনস সেন্টারে একটি বৈঠক। এটি ইন্ডিয়া-পাকিস্তান ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। প্রথম আলোচ্য বিষয় বাংলাদেশ সরকারকে ভারতে স্বীকৃতি, দ্বিতীয় বিষয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক, তৃতীয় বিষয় সামরিক পরিস্থিতি এবং চতুর্থ বিষয় : ঢাকা থেকে বিদেশি নাগরিক উদ্ধার। ইন্টার এজেন্সি কমিটি অন পাকিস্তানি রিফিউজি রিলিফ ওয়াশিংটন স্পেশাল গ্রুপ মিটিং। ব্রেকফাস্ট মিটিং উইথ কংগ্রেশনাল লিডারশিপ। ত্রাণ সংক্রান্ত ওয়াশিংটন স্পেশাল গ্রুপের বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হেনরি কিসিঞ্জার, মরিস জে উইলিয়ামস, জোসেফ সিসকো এবং ইউরাল আলেক্সিস জনসন। মরিস উইলিয়ামস ত্রাণবিষয়ক কর্মকর্তা, সিসকো স্টেট ডিপার্টমেন্টের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি। কিসিঞ্জার মরিস উইলিয়ামের কাছে জানতে চান পূর্ব পাকিস্তানে বড় ধরনের দুর্ভিক্ষের সম্ভাবনা আছে কিনা? তিনি জবাব দেন, তারা কেবল ঘরে ফসল তুলেছে। কিসিঞ্জার আবার জিজ্ঞেস করেন সামনের বসন্তে কি দুর্ভিক্ষ হবে? মরিস উইলিয়ামস বলেন, সব সামাল দিতে না পারলে দুর্ভিক্ষ হবে। কিসিঞ্জার তখন জিজ্ঞেস করলেন তাহলে আসছে বসন্তে বাংলাদেশকে কি আমাদের উদ্ধার করতে হবে? মরিস উইলিয়াম হ্যাঁ বোধক জবাব দেন, তখন কিসিঞ্জার বলেন তার চেয়ে বরং আমরা আমার নীতিমালা কী হবে ভাবতে থাকি। মরিস উইলিয়ামস বললেন, মার্চে বাংলাদেশের সব ধরনের সাহায্যই লাগবে। ঠিক তখন আলেক্সিস জনসন বললেন, ‘দে উইল বি এন্ড ইন্টারন্যাশনাল বাস্কেট কেস’-তারা একটি আন্তর্জাতিক বস্কেট কেসে পরিণত হবে। কিসিঞ্জার তখন বললেন, ‘বাট নট নেসেসারিলি আওয়ার বাস্কেট কেস’। অর্থের সাযুজ্য থাকলেও লক্ষণীয় বটমলেস বা তলাহীন কথাটি আলেক্সিস জনসন কিংবা হেনরি কিসিঞ্জার কেউই ব্যবহার করেননি। কোনো সন্দেহ নেই তাদের আলোচনার ধরনটা বাংলাদেশের জন্য অবমাননাকর। বাংলাদেশ দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে কিন্তু বাস্কেট কেস হওয়ার মতো অবস্থা কখনো ছিল না। এটাও মিথ্যে নয়, দুর্নীতিতে বহুল উচ্চারিত নাম বাংলাদেশ। ৪৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই কথাটা কিসিঞ্জার বলেছেন বলে আমরা এত বেশি বলেছি যে খোদ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডবিøউ মোজেনাই ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ প্রকাশ্য সভায় বলে গেছেন হেনরি কিসিঞ্জারের মন্তব্য ‘বাংলাদেশ ইজ এ বটমলেস বাক্সেট’ মোটেও সঠিক নয়। তিনি বলেছেন, ‘বহু সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। মানুষ খুব পরিশ্রম করে, শিগগিরই বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী দেশে পরিণত হবে।’ এরপরও যারা জনসনের কথা কিসিঞ্জারের মুখে তুলে দিতে চান তারা দয়া করে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ডি-ক্ল্যাসিফায়েড কাগজপত্র দেখবেন, ১৯৭২ সালের প্রথম দিককার টাইম ম্যাগাজিন দেখবেন। আশা করব ২০২১ থেকে কোনো মন্ত্রী, কোনো আমলা, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অন্তত এই কথাটির সঙ্গে হেনরি কিসিঞ্জারকে জড়িয়ে নেবেন না। তাতে তিনি আরো গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে উঠলেও ৫০ বছরেও আমরা যে পড়াশোনা না করা জাতি হয়ে উঠতে পারিনি সেটা প্রমাণিত হবে। বাক্সেট কেস মানে কী? তার আগে জানা দরকার শব্দটা এলো কেমন করে? বলা হয়ে থাকে শব্দটি প্রথম মহাযুদ্ধের সময় উদ্ভ‚ত। হাত-পা হারানো যুদ্ধাহত কোনো সৈন্যকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে আনতে আক্ষরিক অর্থেই বাক্সেটে তুলে নিতে হতো। সুতরাং বাক্সেট কেস অসহায়ত্বের একটি চরম উদাহরণ। অবশ্য এই উৎসকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। বিভিন্নভাবে বাক্সেট কেস ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সম্পূর্ণ অকেজো ও অসহায় অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়Ñ চার হাত-পা হারানো মানুষ বাক্সেট কেস, একটি দেশ হতে পারে ইকোনমিক বাক্সেট কেস; আবেগজনিত সমস্যার কারণে স্বাভাবিক কাজ করতে অক্ষম এমন মানুষও হতে পারে। ব্রেড বাস্কেটের উল্টোটা বাস্কেট কেস। কোনো কোনো দেশ ব্রেড বাস্কেট আর কোনো কোনোটা বাস্কেট কেস। ‘এনিথিং দ্যাট ডাজ নট ফাংশন প্রোপারলি’Ñ মানুষ, যন্ত্র, দেশ যে কোনো কিছুর বেলায় প্রয়োগ করা চলে। এটাই বাস্কেট কেস। অর্থনৈতিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত দেশ। অভিধানের একটি উদাহরণ অনুবাদ করলে দাঁড়ায় : এই দেশটি আর্থিকভাবে বাস্কেট কেস হয়ে পড়েছে, এতটাই বাজে অবস্থা যারা এ দেশকে ধার দিচ্ছে তাদের সতর্ক করে দেয়া উচিত। একটি অভিধান বলছে : বিশেষ করে যে দেশ তার নেয়া ঋণ পরিশোধে অক্ষম, সেটিই বাস্কেট কেস। অর্থব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কথা বলছে একটি অভিধানÑ যেমন, এমনই আর্থিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে যে- উন্নতির দিকে যাচ্ছে এমন যে কোনো দেশও রাতারাতি বাস্কেট কেস হয়ে পড়তে পারে। উৎস প্রসঙ্গে আর একটু ব্যাখ্যা দেয়া প্রয়োজন : ১৯১৯ সালের মার্চের একটি বুলেটিনে যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল বলেছেন, বাস্কেট কেস বলে যে কাহিনীটি প্রচলিত হয়েছে, আমাদের হাসপাতালে এমন কোনো বাস্কেট কেস নেই। উল্লেখ, ১১ নভেম্বর ১৯১৮ প্রথম মহাযুদ্ধ শেষ হয়। যেহেতু তার মুখ দিয়ে আর একবার বাস্কেট কেস কথাটি বেরিয়েছে সেটিও গুরুত্ব দিয়ে উদ্ধৃত হয়েছেÑ প্রকারান্তরে তা শব্দযুগলকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অভিধান থেকে আরো কয়েকটি উদাহরণ : দেশটি লাগাতার বেকারত্ব ও অবাধ দুর্নীতিতে বাস্কেট কেস হয়ে পড়েছে। কিংবা আমি যখন তোমাকে এ কথা বলি তখন তুমি কি আমাকে বাস্কেট কেস ভেবেছিলে না কি? (অপ্রকৃতস্থ অর্থে) ‘বটম’ বহুল ব্যবহৃত শব্দ, নিতম্ব থেকে তলা পর্যন্ত অনেক ধরনের ব্যবহার রয়েছে। তবে বটমলেস বাস্কেট স্বীকৃত কোনো শব্দ জোড় নয়। কাজেই ইংরেজি ভাষাভাষী কারোই এটা বলার সম্ভাবনা নেই। বাস্কেট কেস অর্থেই আমরাও বিষয়টি কিসিঞ্জারের ওপর চাপিয়ে থাকি। ভারতীয় ইংরেজি পত্রিকায় সঞ্জীব শঙ্করণ বাংলাদেশ প্রসঙ্গে লিখেছেন : ইটস নো লঙ্গার এ বাস্কেট কেস। এটি শিরোনামের অংশ। আমরা যদি এটা পড়ে পুলকিত হই তাহলে ধরে নিতে হবে কোনো আমেরিকান বলুন বা না-ই বলুন আমরা কিন্তু বাস্কেট কেস ছিলাম। আমরা কাকে চ্যালেঞ্জ করব সঞ্জীব শঙ্করণকে? তাহলে আরো একটি ভুল করা হবে। বাস্কেট কেস কিংবা বটমলেস বাস্কেট আমাদের নেতারাই বলে তৃপ্তি পান। বাস্কেট কেস অর্থনৈতিক সাংবাদিকতায় বহুল ব্যবহৃত শব্দ। ‘এশিয়ান ক্রাইসিস’ বা ‘এশিয়ান ইকোনমিক ডিবাকল’-এর ক’বছর পর ইকোনমিস্ট লিখল : এক দশকেরও আগে ইন্দোনেশিয়াকে বাস্কেট কেস বিবেচনা করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ে, ব্যাংক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, ঋণ পরিশোধে বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু ইন্দোনেশিয়া এখন ‘স্থিতিশীল এবং অনেকটা শান্তিপূর্ণ’ গণতন্ত্র। অন্য একটি অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে সিমন নিক্সন লিখেছেন : জিম্বাবে বাস্কেট কেস হতে পারে কিন্তু এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ লক্ষণীয় সাফল্য অর্জন করছে। ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমি সাময়িকীতে ওলাফ গার্সম্যানের ‘কাউবয় ক্যাপিটালিজম’-এর আলোচনায় সাময়িকীর প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিলিপ লেগরেইন লিখেছেন : ইউরোপের কোনো বাস্কেট কেস নেই। হেনরি কিসিঞ্জারের মুখে তুলে দিয়ে যে কথাটি বারবার বলা হচ্ছে এ নিয়ে আমি আরো দুটি লেখা পড়েছি, ২০১০-এর আগে প্রকাশিত লেখা দুটির একটি লিখেছেন মোহাম্মদ রেজাউল করিম, অন্যটি এবিএম নাসির, দুটিই ইংরেজিতে লেখা। হেনরি কিসিঞ্জারের আরো একটি উদ্ধৃতি বইপত্র না পড়া গণবক্তাদের বিব্রত করবে তা হচ্ছে ১৯৭১-এর ৩ জুন ‘অন রেকর্ড’ কিসিঞ্জারই বলেছেন ‘আমরা যেভাবে দেখছি, পূর্ব পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত স্বাধীন হবে।’ তবে এটাও স্বীকৃত ও প্রমাণিত সত্য তার বিশ^াস ও ভ‚মিকা এক ছিল না। (১৯৭১-এর ৩ জুনের বৈঠক বিবরণী একাত্তরের দলিল প্রথম পর্বে মিলবে, অথবা স্টেট ডিপার্টমেন্টের ডিক্লাসিফায়েড ডকুমেন্টসও দেখা যেতে পারে।) প্রেসিডেন্ট নিক্সন ইয়াহিয়াকে সাহায্য করতে গিয়ে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছেন আর কিসিঞ্জার সেই ইচ্ছেরই বাস্তবায়ন করে গেছেন। এটাও ক্ষমাহীন অপরাধ। ড. এম এ মোমেন : সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

গঙ্গাচড়ায় ডুবে যাচ্ছে শত একর বোরো ধান, ৩ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

গঙ্গাচড়ায় ডুবে যাচ্ছে শত একর বোরো ধান, ৩ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

জুলাই সনদ নিয়ে কোনো ‘বিতর্ক দেখছি না’

জোনায়েদ সাকি জুলাই সনদ নিয়ে কোনো ‘বিতর্ক দেখছি না’

মার্চ মাসে ৬১৬ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬১৯

মার্চ মাসে ৬১৬ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬১৯

রাজধানীতে গ্যাসলাইট কারখানায় আগুন

রাজধানীতে গ্যাসলাইট কারখানায় আগুন

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App