এক আসামির স্বীকারোক্তি
গৌরনদীতে শিশু তাছলিমা হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন
প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি : গৌরনদীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী তাছলিমা আক্তার মাহিকে (১০) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সন্দেহজনকভাবে গ্রেপ্তার করা এক ব্যক্তি। গত শনিবার বিকালে বরিশাল সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন ইসমাইল বেপারী (২৪)।
জবানবন্দিতে তিনি ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর ডোবায় ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করে ঘটনার বর্ননা দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী থানার এসআই নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ইসমাইল জবানবন্দিতে বলেছেন, তিনি তাছলিমাকে পার্শ^বর্তী একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর ওইদিন রাতেই শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ হেলাল সরদারের বাড়ির ডোবায় ফেলে দেন।
উল্লেখ্য, উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিমপাড়া গ্রামের সবুজ সরদারের মেয়ে তাছলিমা গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে বাড়ির পাশের কিশোর সরকারের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ২৪ ডিসেম্বর সকালে প্রতিবেশী হেলাল সরদারের বাড়ির ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বাবা উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিমপাড়া গ্রামের সবুজ সরদার অজ্ঞাতদের আসামি করে ২৬ ডিসেম্বর গৌরনদী থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ গত শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে উজিরপুর উপজেলার উত্তর মোড়াকাঠি গ্রামের হালিম বেপারীর ছেলে ইসমাইল, গৌরনদীর বাটাজোর গ্রামের নজরুল খানের ছেলে সাকিব খান ও দক্ষিণ পশ্চিমপাড়া গ্রামের সিদ্দিক সরদারের ছেলে লিটন সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
