×

টিপস

সম্পদ বৃদ্ধিতে কোন বিষয়ে নজর দেবেন

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১১ পিএম

সম্পদ বৃদ্ধিতে কোন বিষয়ে নজর দেবেন

ছবি : সংগৃহীত

সম্পদ শুধু বেশি উপার্জনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় না বরং কষ্টার্জিত অর্থ সঞ্চয় করা এবং তা সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাড়িয়ে তোলাই সম্পদ বৃদ্ধির মূল কৌশল। এই কৌশল না জানলে বা অবহেলা করলে অর্জিত অর্থও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ধরা যাক, কারও বয়স ৩৮ বছর। এর মধ্যেই তিনি গাড়ি-বাড়ি করেছেন, নিয়মিত পরিবার নিয়ে ভ্রমণেও যাচ্ছেন। অথচ তার আয় খুব বেশি নয়। বন্ধু বা পরিচিতদের মধ্যেও এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়। তখন প্রশ্ন উঠতে পারে, কীভাবে তারা এই বয়সেই এত সম্পদ গড়ে তুললেন?

অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টাদের মতে, সঠিক বিনিয়োগ যেমন সম্পদের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে, তেমনি এই বিষয়ে অজ্ঞতা বা উদাসীনতা কষ্টার্জিত সম্পদ নষ্ট করে দিতে পারে। সম্পদ তৈরি করার অর্থ শুধু বেশি আয় করা নয় বরং আয় করা অর্থ সঞ্চয় করা এবং তা পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগের মাধ্যমে বৃদ্ধি করা।

সম্পদ বাড়াতে যে ভুলগুলো এড়ানো জরুরি-

ব্যাংকে টাকা ফেলে রাখা নয়

অনেকেই মাস শেষে টাকা ব্যাংকের সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা রাখেন এবং দীর্ঘ সময় তা সেখানেই পড়ে থাকে। কিন্তু সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদের হার খুব কম হওয়ায় সেখানে টাকা রেখে দিলে প্রকৃত অর্থে সম্পদ বৃদ্ধি পায় না। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে, এমন নিরাপদ বিনিয়োগে কিছু অর্থ রাখা যেতে পারে, যেমন কিছু ফিক্সড ডিপোজিট যেখানে সুদের হার তুলনামূলক বেশি এবং প্রয়োজনে ভাঙানোও যায়।

জরুরি পরিস্থিতির জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ রেখে বাকি টাকা লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। যেমন মিউচুয়াল ফান্ড। তবে এসব ক্ষেত্রে ঝুঁকি কতটা আছে তা আগে ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি।

বিমা সম্পর্কে ভুল ধারণা

বিমা মূলত সম্পদ সুরক্ষার জন্য, সম্পদ বাড়ানোর জন্য নয়। অনেক বিমা পলিসিতে সুদের হারও খুব বেশি নয়। ভুল ধরনের বিমা সম্পদের ক্ষতি করতে পারে। তাই বিনিয়োগের জন্য টার্ম ইনশিওরেন্স নেওয়া যেতে পারে, যাতে প্রয়োজনে পরিবার আর্থিক সুরক্ষা পায়। পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয় বাড়তে থাকায় মেডিকেল ইনশিওরেন্সও এখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

দেরিতে সঞ্চয় শুরু করা

অনেকে মনে করেন কম আয় বা কম বয়সে সঞ্চয়ের দরকার নেই। ফলে তারা উপার্জিত অর্থ খরচ করে ফেলেন। কিন্তু অল্প বয়স থেকেই সঞ্চয় শুরু করলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অর্থ অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। কেউ যদি ২০ বছর বয়স থেকেই সঞ্চয় শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে বিনিয়োগ বাড়ান, তাহলে ৩৮–৪০ বছর বয়সে গিয়ে উল্লেখযোগ্য সম্পদ গড়ে তুলতে পারেন। আবার কেউ যদি ৩৩ বা ৩৫ বছর বয়সে এসআইপি শুরু করেন, তবুও ৫০ বছর পেরোতে মোটা অঙ্কের সঞ্চয় তৈরি করা সম্ভব।

আরো পড়ুন : ঘরেই তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু 'ট্যাং'

এসআইপি বা রেকারিং ডিপোজিটের মতো বিনিয়োগ অল্প অঙ্ক দিয়েও শুরু করা যায়। মাসে মাসে টাকা জমা দেওয়ার কারণে সঞ্চয়ের চাপও কম থাকে।

এক জায়গায় সব বিনিয়োগ না করা

রিয়েল এস্টেট, সোনা বা ইক্যুইটি, যে কোনো এক জায়গায় সব টাকা বিনিয়োগ করা ঝুঁকিপূর্ণ। বরং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি কমে এবং লাভের সম্ভাবনাও বাড়ে।

বিনিয়োগের আগে জানা জরুরি

বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ডসহ বিভিন্ন বিনিয়োগ মাধ্যমের নিয়ম ও সুযোগ বদলে যায়। তাই সময় অনুযায়ী বিনিয়োগের ক্ষেত্র পরিবর্তন করা এবং প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

জ্বালানি বাঁচাতে সাপ্তাহিক ছুটি ৩ দিন করেছে শ্রীলঙ্কা

জ্বালানি বাঁচাতে সাপ্তাহিক ছুটি ৩ দিন করেছে শ্রীলঙ্কা

সুন্দরবনের বনদস্যু বাহিনীর কাছে জিম্মি ৬ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনের বনদস্যু বাহিনীর কাছে জিম্মি ৬ জেলে উদ্ধার

৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

উত্তরায় ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় ১১ আসামির ২ দিনের রিমান্ড

উত্তরায় ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় ১১ আসামির ২ দিনের রিমান্ড

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App