উট কোরবানির সওয়াব মিলবে জুমার দিনে যে আমল করলে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৮ এএম
ছবি : সংগৃহীত
সপ্তাহের সেরা দিন হিসেবে জুমা মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। পবিত্র এ দিনে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব যেমন বেশি, তেমনি রয়েছে বাড়তি সওয়াবের প্রতিশ্রুতি। জুমার নামাজ ইসলামের একটি মহান ফরজ ইবাদত, যা মুসলমানদের জন্য আধ্যাত্মিক শুদ্ধতা ও ঐক্যের বার্তা বহন করে। তাই জুমার দিনটি সচেতনতা ও ভক্তিভরে পালন করাই হওয়া উচিত প্রত্যেকের অঙ্গীকার।
শুক্রবারের জুমার নামাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা অধিকাংশ মুসলমান আদায় করে থাকেন। ফজিলতের কারণে এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিনও বলা হয়েছে। জুমার দিনের মর্যাদা ও ফজিলত সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
জুমার নামাজ কেবল দুই রাকাত ফরজ আদায় করলেই যথেষ্ট নয়; জুমার খুতবা মনোযোগ সহকারে শোনা ও পালন করাও আবশ্যক।
জুমার দিন আগেভাগে মসজিদে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন- হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটি তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে। (সুরা জুমা, আয়াত: ৯)
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন- যে ব্যক্তি জুমার দিন জানাবাতের গোসলের ন্যায় গোসল করে এবং নামাজের জন্য প্রথম সময়ে মসজিদে উপস্থিত হয়, সে যেন একটি উট কোরবানি করল।
যে ব্যক্তি দ্বিতীয় সময়ে আগমন করে, সে যেন একটি গাভী কোরবানি করল। তৃতীয় সময়ে যে আগমন করে, সে যেন একটি শিং-বিশিষ্ট দুম্বা কোরবানি করল। চতুর্থ সময়ে যে আগমন করে, সে যেন একটি মুরগি কোরবানি করল। পঞ্চম সময়ে যে আগমন করে, সে যেন একটি ডিম কোরবানি করল। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮৮১)
