পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথোপযুক্ত লোক দিয়েই তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতিমধ্যে যথোপযুক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল এবং সেই কমিশনের রিপোর্ট বর্তমান সরকারের হাতে রয়েছে। ফলে নতুন করে আর কোনো কমিশন করার প্রয়োজন নেই, বরং বিদ্যমান রিপোর্টের সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করাই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য।
বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমকে জানান যে, পিলখানা হত্যাকাণ্ড কেবল বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের অন্যতম নৃশংস ও বর্বরোচিত ঘটনা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পেছনের ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন যে, এই নারকীয় তাণ্ডবের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও মেরুদণ্ডহীন করে দেওয়া। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তারাই এমন দেশবিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সেনা শহীদ দিবস পালন করলাম। রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী এসেছেন, শহীদ পরিবারের স্বজনরা এসেছেন। বাংলাদেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন, তারা চিরতরুণ, চিরভাস্বর। এই পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীর নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের একটি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল, তা জানার জন্য তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও, তার ফলাফল আজো প্রকাশিত হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় কমিশন গঠন করা হয়, যার রিপোর্ট আমাদের সামনে এসেছে। তবে সে রিপোর্ট বাস্তবায়নে সে সরকার তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
তিনি বলেন, কমিশনের রিপোর্টে যে সুপারিশগুলো এসেছে, বিচারাধীন যে মামলাগুলো আছে, এই জুডিশিয়াল প্রসেসগুলো সমাপ্ত করা হবে। অন্যান্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
