গণভবনের দরজা খোলা, আমি কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৪, ০১:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গণভবনের দরজা খোলা আছে। আমি কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি কোনো সংঘাত চাই না।
শনিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে গণভবনে দেশের পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়, স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রস্তাবিত পেনশন ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে অংশ নেন দেশের পেশাজীবীর সমন্বয়ের কেন্দ্রীয় নেতারা। বৈঠক এখনো চলছে।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি (এনসিএসএ) বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ। কমিটিতে ২৭ জন সদস্য রয়েছেন।
শুক্রবার রাতে গণভবনে জরুরি বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে আবারো আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে বসতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে তিন নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
আরো পড়ুন: ‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ আন্দোলনে যেসব নির্দেশনা দিলেন বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়করা
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান ও সহনশীল থাকতে হবে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। ১৪ দলীয় জোটের সিনিয়র নেতারাও এ দলে যুক্ত হবেন।
উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জুলাই থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫০ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। যদিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংখ্যা দুই শতাধিক বলে দাবি করা হচ্ছে। সর্বশেষ শুক্রবার (২ আগস্ট) সহিংসতার ঘটনায় খুলনায় এক পুলিশ সদস্য এবং হবিগঞ্জে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শুক্রবার সারাদেশে গণমিছিল কর্মসূচি পালিত হয়। এতে কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিল্পী ও কলাকুশলীসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ অংশ নেন। এদিন ঢাকার অন্তত ১১টি স্থানে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এর মধ্যে উত্তরার একটি স্থান ছাড়া সব জায়গায় শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।
