×

জাতীয়

ছাগলকাণ্ড

মতিউর ও তার পরিবারের শতাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৭ পিএম

মতিউর ও তার পরিবারের শতাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও তার পরিবারের ১১৬টি ব্যাংক হিসাব, ২৩টি বিও অ্যাকাউন্ট ও সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ক্রোক হওয়া সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে- সাভারে ২৬.৬১ শতাংশ জমি, ভালুকায় ১০৪ শতাংশ, ভালুকায় মতিউরের ভাই এ এম কাইউম হাওলাদারের মালিকানাধীন গ্লোবাল সুজের ৯৫৮ শতাংশ জমি, গাজীপুরে আপন ভুবন লি.-এর ৮৭৫.৯৫ শতাংশ জমি, নরসিংদীর শিবপুরে মতিউরের স্ত্রী লায়লার নামে ৩৮ শতাংশ, ছেলে অর্ণবের নামে ১২৬ শতাংশ, মেয়ে ইপ্সিতার নামে ৭২ শতাংশ, নাটোরের সিংড়ায় লায়লা কানিজের নামে ১৬৬ শতাংশ জমি। এছাড়া মিরপুরের শেলটেক বিথীকা প্রকল্পে ১৮১২ স্কয়ার ফুটের ৪টি ফ্ল্যাট ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

স্থাবর সম্পত্তি ছাড়াও শেয়ারবাজারে তাদের ২৩টি বিও অ্যাকাউন্ট, ১১৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ১৩ কোটি ৪৪ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭১ টাকা ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ৪ জুলাই মতিউর এবং তার পরিবারের নামে থাকা ৪টি ফ্ল্যাট ও ৮৬৬ শতক জমি ক্রোকের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

ছাগলকাণ্ডে দেশব্যাপী সমালোচনায় গত ২৩ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মো. মতিউর রহমানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৪, ২০০৮, ২০১৩ ও ২০২১ সালে মোট চারবার অনুসন্ধান করে দুদক। প্রতিবারই অনুসন্ধান পর্যায় থেকে শেষ হয়েছে কার্যক্রম। তবে কোরবানি ঈদে ছেলের ছাগলকাণ্ডে দেশব্যাপী আলোচনায় আসার পর পঞ্চমবারের মতো মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক।

গত ৪ জুন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মইনউদ্দীন আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে কমিশন সভায় মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পঞ্চম বারের মতো অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একজন উপ-পরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধানী টিম গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে সদস্যরা কাজও শুরু করেছেন। এতে মতিউরের নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য সামনে আসছে।

আরো পড়ুন : মতিউরসহ স্ত্রী-সন্তানদের এনআইডি-পাসপোর্টের তথ্য চাইলো দুদক

টাইমলাইন: ছাগলকাণ্ডে বিপাকে মতিউর

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App