২য় দিনেও খুলনা বিভাগ সহ ১৫ জেলায় তেল সরবরহ বন্ধ
বাবুল আকতার, খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করনি খুলনা ৩ ডিপোর মহাব্যবস্থাপকরা। যে কারণে আজ রোববার ২য় দিনেও জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা পদ্ম, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে তেল উত্তলন বন্ধ রেখেছে। ফলে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা ও বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরহ বন্ধ রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচী অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতি খুলনা বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।
চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানী তেল না পাওয়ায় খুলনা বিভাগ সহ ১৫ জেলার ব্যবসায়ীরা শনিবার সকাল থেকে পদ্মা মেঘনা যমুনা তেল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেয়। পরে রাত ৮টায় রাত বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে জ্বালানি ব্যবসায়ি নেতা সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুলের মুঠোফানো আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার বিপিসি কর্তৃক নেয়া সিদ্ধান্ত রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালনি তেল বিক্রয় প্রত্যাহারে আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী। এরই আলোকে জ্বালানী তেল ব্যবসায়ীরা তাদের তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার কর্মসুচি স্থগিত ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে আজ রোববার সকাল ৮টায় পেট্রোলপাম্প মালিক ও এজেন্সি ডিলাররা তেল উত্তলনের উদ্দেশ্যে তাদের প্রতিনিধি বসায়ীরা পদ্ম, মেঘনা ও যমুনা ডিপোতে পাঠায়। সেখানে যেয়ে যখন জানতে পারে যে, ব্যবসায়ীদের চাহিদা মত জ্বালানি তেল দেয়ার কোন নির্দেশনা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন থেকে ডিপো কর্তৃপক্ষে দেয়া হয়নি। এর পর পরই পুনরায় বাংলাদেশ জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতি নেতৃবৃন্দ তাদের আন্দোলন অব্যহত রাখার ঘোষনা দেন ।
বৈঠকে মালিক সমিতির নেতারা জানান, আগে চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হতো। চলমান বৈশ্বিক সংকট দেখিয়ে বিপিসির নির্দেশে চাহিদা মোতাবেক তেল সরবরাহ করছেনা, খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় প্রতিদিন অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল সহ সব ধরনের জ্বালনী তেলের চাহিদা ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ লিটার, সেখানে খুলনার পদ্মা মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপো থেকে জ্বালানী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে ৯ লক্ষ লিটার, ফিলিংস্টেশন, এজেন্সি ও মালিকরা তিনটি তেল ডিপো থেকে দেড়লক্ষ হারে সাড়ে ৪ লক্ষ লিটার বৃদ্ধির করার প্রস্তাব দিলে সে বিপিসি সে প্রস্তাব না মানায় জ্বালনী ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় তেল উত্তোলন ও বিপনন বন্ধ করে দেয়।
