×

আন্তর্জাতিক

পাক-আফগান সংঘাত

সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চায় তালেবান

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম

সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চায় তালেবান

তোরখাম সীমান্ত ক্রসিংয়ের কাছে পাহারা দিচ্ছেন তালেবান সেনারা। ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের বিভিন্ন শহরে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর আফগান তালেবান শাসকরা শুক্রবার বলেছেন, তারা আলোচনা করতে ইচ্ছুক। সংলাপের মাধ্যমে তারা সমস্যার সমাধান করতে চান।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে আফগানিস্তানের নঙ্গরহর এবং পকতিকা প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে বিক্ষিপ্তভাবে সীমান্ত সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ।

এরপর বৃহস্পতিবার রাত থেকে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন এলাকায় কামান, মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার, সাঁজোয়া গাড়ি বহর নিয়ে কার্যত মুখোমুখি লড়াই করেছে পাকিস্তানের সেনা এবং আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনী।

উভয় পক্ষই ভারী ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, তার দেশ প্রতিবেশীর সঙ্গে 'প্রকাশ্য যুদ্ধে' লিপ্ত।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার বলছে, কাবুল এর আগেও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের চেষ্টা করেছে। ভয়াবহ সহিংসতার পরে এখনও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে।

শুক্রবার তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমরা বারবার শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিয়েছি। এখনও চাই দুই দেশের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হোক।’

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, কাবুল ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ কান্দাহার ও পাক্তিয়ায় তালেবানের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। পাকিস্তান সরকারের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেছেন, এই হামলায় ১৩৩ জন আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। 

তবে তালেবান সরকার এই পরিসংখ্যান প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, তাদের মাত্র আটজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। উল্টো তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, ডুরান্ড লাইন বরাবর পাল্টা হামলায় তারা ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করেছে। সেই সঙ্গে দুটি সামরিক ঘাঁটি দখলে নিয়েছে।

কাতারের জুনিয়র পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খালিফির সঙ্গে টেলিফোনে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির কথার উদ্ধৃতি দিয়ে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “আফগানিস্তান কখনও সহিংসতার সমর্থক ছিল না এবং সবসময়ই পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্মানের ভিত্তিতে সমস্যার সমাধার করতে পছন্দ করে। তবে এই দৃষ্টিকোণ কেবল তখনই কার্যকর হবে যদি অপর পক্ষ সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তরিক ইচ্ছা দেখায় এবং বাস্তবিক পদক্ষেপ নেয়।

কাতার গত বছর পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের লড়াই থামাতে সহায়তা করেছিল। তারা অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে সাম্প্রতিক সংকট সমাধানের জন্য সাহায্য করছে।


সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

প্রশাসনের তিন অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতি

প্রশাসনের তিন অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতি

কালশী বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

কালশী বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

পুলিশের তদন্তে একে একে বেরিয়ে আসছে প্রকৃত ঘটনা

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হত্যাকাণ্ড পুলিশের তদন্তে একে একে বেরিয়ে আসছে প্রকৃত ঘটনা

মেঘনায় দুই নারী পকেটমার গ্রেপ্তার

মেঘনায় দুই নারী পকেটমার গ্রেপ্তার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App