রাকসু জিএস ও ছাত্র অধিকার নেতার মধ্যে বাগবিতণ্ডা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। বাগবিতণ্ডর মূল কেন্দ্রবিন্দু ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্ট। যা কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডতার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে রাকসু ভবনে জিএস-এর কার্যালয়ে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, 'গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্র অধিকার পরিষদের রাবি শাখা সভাপতি মেহেদী মারুফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাকসুর কার্যক্রমের সমালোচনা করে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘রাকসু ফরজ কাজ বাদ দিয়ে নফল কাজেই বেশি মনোযোগী এবং পারদর্শী।’
আরোও পড়ুন: ঢাবি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টার
ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার মন্তব্য করেন, ‘চুলকানি শুরু মলমের নাম নুরু’। মূলত এই মন্তব্যটিকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সোমবার(২ মার্চ) দুপুরে মেহেদী মারুফের নেতৃত্বে ছাত্র অধিকার পরিষদের একদল নেতাকর্মী রাকসু কার্যালয়ে গিয়ে উক্ত মন্তব্যের কৈফিয়ত দাবি করেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চবাচ্য ও কথা-কাটাকাটি চলে।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'একজন নির্বাচিত জিএস হয়ে তিনি প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছেন। আমরা মনে করি, এটি তার নৈতিক স্খলন। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আমরা রাকসু সভাপতি ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকিবের দ্বারস্থ হবো।'
আরো পড়ুন: ঢাবির ইফতার বয়কটের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা
অন্যদিকে, বিষয়টিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার।
তিনি বলেন, একটি সাধারণ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তিলকে তাল বানিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। যখন সব পক্ষ ক্যাম্পাসে গঠনমূলক অবস্থানে আছে, তখন তারা অহেতুক পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। এটি মূলত সস্তা প্রচার পাওয়ার (মিডিয়া অ্যাটেনশন) একটি কৌশল মাত্র।
