×

শিক্ষা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফি পরিশোধ এখন অনলাইনে, নগদ লেনদেন নিষিদ্ধ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফি পরিশোধ এখন অনলাইনে, নগদ লেনদেন নিষিদ্ধ

ছবি : সংগৃহীত

দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন থেকে শিক্ষার্থীদের ফি ও অন্যান্য আয় সংগ্রহে নগদ লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি পরিশোধ করতে হবে সরকারি ব্যাংকের অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে, যা সরকারি ‘সোনালি পেমেন্ট গেটওয়ে’ (এসপিজি) ব্যবহার করে করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী, জরুরি প্রয়োজনে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই নগদ টাকা গ্রহণ করা যাবে না। যদি তা হয়, তবে দুই কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-৩) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী স্বাক্ষরিত নীতিমালা ৯ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২২,৬৫৭টি বেসরকারি স্কুল ও কলেজ রয়েছে, যেখানে প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের নগদ লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আশা করছি, এটি জবাবদিহি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, একবার কোনো শিক্ষার্থী ভর্তিকৃত হলে পরবর্তী শ্রেণিতে ওঠার সময় ‘পুনঃ ভর্তি ফি’ নেওয়া যাবে না। ইতিমধ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনারও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেকোনো আর্থিক অনিয়মের দায় যৌথভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রধানের (অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক) ওপর থাকবে। দায়িত্ব ছাড়ার পরও অনিয়ম ধরা পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষক বা কর্মকর্তা আর্থিক বিধি লঙ্ঘন করলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে এবং এমপিও স্থগিত বা বরখাস্ত হতে পারে। এছাড়া অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটিও বাতিল করা যাবে।

নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রমের জন্য ইমপ্রেস্ট ফান্ড বা খুচরা নগদ তহবিলের সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী প্রতি মাসে ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ খরচ করা যাবে, তবে একক ভাউচারে ২৫ হাজার টাকার বেশি খরচ করা যাবে না। অতিরিক্ত ব্যয় ক্রস চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ছয়টি উপকমিটি গঠন করতে হবে, অর্থ, ক্রয়, উন্নয়ন, টিউশন ফি ও সেশন চার্জ আদায়, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি। এছাড়া সব ভাউচার ই-ক্যাশ বুকে এন্ট্রি করতে হবে, যা ডিআইএ একটি অনলাইন ভিত্তিক সিস্টেমের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করবে।

শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবিক প্রয়োজনে (চিকিৎসা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ) সর্বোচ্চ ছয় মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অগ্রিম বা ঋণ দেওয়া যাবে, যা পরে কিস্তিতে বেতন থেকে সমন্বয় করা হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি বেড়েছে ৯০ শতাংশ

রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি বেড়েছে ৯০ শতাংশ

জোড়া গোলে রোনালদোর রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

জোড়া গোলে রোনালদোর রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

আজ ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আজ ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বজুড়ে

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বজুড়ে

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App