নাগরিক প্লাটফর্ম পর্যালোচনা
সরকারকে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার পরামর্শ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নতুন সরকারকে নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে বাস্তবসম্মত ও অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করে একটি সুসংহত মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে নাগরিক প্লাটফর্ম।
পাশাপাশি ঋণের কিস্তি পরিশোধে বিদেশি ঋণের চাপ আগামী সময়ে আরও বাড়বে, যা নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ; আর ট্যাক্স জিডিপি রেশিও ১৫ শতাংশে না গেলে এ সরকারের অন্যান্য প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ঝুঁকিতে পড়বে বলেও হুঁশিয়ার করেছেন সংস্থাটির গবেষকেরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু; অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও মোস্তাফিজুর রহমান।
তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, আসন্ন ২০২৭ অর্থবছরের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য ও বাস্তবসম্মত জাতীয় বাজেট কাঠামো প্রস্তুত করতে হবে। এতে রাজস্ব আহরণ, ব্যয় ব্যবস্থাপনা ও ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর শৃঙ্খলা আরোপের পাশাপাশি অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যমান বাজেট বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধন না করলে আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জন কঠিন হবে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ঋণ পরিস্থিতি যেভাবে পেয়েছিল, তার চেয়েও আরও নাজুক অবস্থায় রেখে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকার বন্দরসহ যে সব বৈদেশিক চুক্তি করেছে তা পুনর্বিবেচনা করা দরকার। তিনি বলেন, নতুন সরকারের টাকা ছাপানোর চিন্তা স্বপ্নেও করা ঠিক হবে না। ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা চলতি অর্থবছরে না করা ভালো। বর্তমান সরকারকে আইনের শাসন প্রমাণ করতে হবে এবং সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।
সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশীয়, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্যের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়ানো জরুরি।
