বগুড়ায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ অন্তত দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, সোমবার রাতে পারশুন গ্রামের আব্দুল আজিজের বাড়িতে কয়েকজনের সমাগম দেখে তারা সেখানে যান। এ সময় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বেলালসহ জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতাকর্মী ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তখন বেলালসহ দুজনকে আটক করে বুড়ইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরো পড়ুন: ভোট দিতে বাড়ির পথে ছুটছেন মানুষ
আরো পড়ুন: রমজান মাসে কি কবরের আজাব বন্ধ হয়ে যায়?
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই জামায়াতে ইসলামীর দুই শতাধিক নেতাকর্মী লাঠিসোটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে মাসুদ রানার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় মাসুদ রানা ও তার ভাইকে বেধড়ক মারধর করে আটক দুজনকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় মাসুদ রানার বাড়িসহ তিনটি বাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর আহত মাসুদ রানাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বগুড়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে কোনো হামলা হয়নি। বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের কর্মী গালিবকে মারধর করেছে। মিথ্যা অভিযোগে আমাদের দুই কর্মীকে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়েছে।
অন্যদিকে বগুড়া-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মোশারফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে কীভাবে এমন হামলা হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এভাবে চলতে থাকলে ভোটের দিন পরিস্থিতির চরম অবনতি হবে। আমরা এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
