কাপ্তাইয়ে ৮ মন্দির পরিদর্শন বিজিবির
কাপ্তাই প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৪, ০৯:৪৭ পিএম
ছবি: ভোরের কাগজ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভ মহালয়ায় সম্প্রীতি অটুট রাখতে কাপ্তাইয়ের ৮টি মন্দিরে ওয়াগ্গা ৪১ বিজিবি'র ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর লতিফুল বারী পরিদর্শন করেছেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ৪১ বিজিবি মেডিকেল অফিসার মেজর আশিকুজ্জামান।
বুধবার (২ অক্টোবর) শুভ মহালয়া দিনে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের ক্ষণ গণনা শুরু হয়।
দেবী দুর্গা সব অশুভ শক্তি বিনাশের প্রতীক রূপে পূজিত। মহামায়া অসীম শক্তির উৎস। দিনটিকে সামনে রেখে ওয়াগ্গা ৪১ বিজিবি জোন কর্তৃপক্ষ সম্প্রীতি অটুট রাখতে মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কৌশল বিনিময় করেন। এসময় ধর্মীয় গুরু ও মন্দির কর্তৃপক্ষ বিজিবি' ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মন খুলে মতবিনিময় করেন।
এদিন ভোর থেকে এ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় কাপ্তাইয়ের ৮টি মন্দিরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালেই দুর্গোৎসবের সাজে মণ্ডপগুলোতে জড়ো হতে শুরু করেন পুন্যার্থীরা। সুন্দর ও সুস্থ পৃথিবীর প্রত্যাশা ছিল সবার কণ্ঠে।
শারদীয় দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ এই মহালয়া। চন্ডিপাঠের মধ্য দিয়ে দেবীর আবাহন করেন ভক্ত-অনুসারীরা। চন্ডিতেই আছে দেবী দুর্গার সৃষ্টির বর্ণনা ও প্রশস্তি।
পুরান মতে, এদিন মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান দেবী দুর্গা। শিবের বর অনুযায়ী কোনো মানুষ বা দেবতা কখনো মহিষাসুরকে হত্যা করতে পারবেন না। ফলত অসীম ক্ষমতাশালী মহিষাসুর দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে এবং বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অধীশ্বর হতে চায়।
মহালয়ার আর একটি দিক হচ্ছে- এই তিথিতে যারা বাবা-মা ছাড়া তারা পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রয়াত আত্মার যে সমাবেশ হয় তাকেই বলা হয় মহালয়া।পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার দেবী আসবেন ঘোড়ায় চড়ে, বিদায় নেবেন দোলায়।
