টার্মিনালের পার্কিং স্থানে অবৈধ স্থাপনা, জনদুর্ভোগ
কাগজ অনলাইন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০১৮, ০৯:৫২ পিএম
কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের অভ্যন্তরে পার্কিংয়ের জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু অবৈধ দোকান ও স্থাপনা। এতে পার্কিংয়ের স্থান সংকুচিত হওয়ায় টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, অবৈধ স্থাপনার কারণে একদিকে সৃষ্টি হয়েছে জনদুর্ভোগ, অন্যদিকে প্রশাসনের নাকের ডগায় একটি শক্তিশালী চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ।
ভূক্তভোগী স্থানীয় জনসাধারণ সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের অভ্যন্তরে গাড়ী পার্কিং স্থানের জায়গা দখল করে বেশ কিছু দোকান ও স্থাপনা গড়ে উঠায় টার্মিনালের বাইরে সড়কে যানবাহন দাড় করাতে হচ্ছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, টার্মিনালের অভ্যন্তরে গাড়ি পার্কিংয়ের স্থানে গড়ে উঠছে অর্ধশতাধিক দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। দূর-দূরান্ত থেকে আসা গাড়িগুলো টার্মিনালের ভেতরে জায়গা না পেয়ে সড়কের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে।
টার্মিনাল সংশ্লিষ্ট অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাইজিংবিডিকে বলেন, টার্মিনালের অভ্যন্তর তো বটেই, বাইরে সড়কে যানবাহন থেকেও প্রতিনিয়ত আদায় করা হচ্ছে টোল।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘টার্মিনালের ভেতরে গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান দখল করে দোকান বা স্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়টি আমি অবগত নই। অভিযোগের ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন কক্সবাজার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবর রহমান মাবু। তিনি বলেন, ‘গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান দখল করে দোকান বা স্থাপনা গড়ে তোলার অভিযোগ সত্য নয়। টার্মিনালের বাইরে সড়কের উপর এলোমেলোভাবে গাড়ি রাখার কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি ট্রাফিক পুলিশ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। টার্মিনালের দায়িত্বপ্রাপ্ত পৌর কর্মচারীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
