×

ভিডিও

পাগলের বেশ ধরেছেন সেই পুলিশ, দিচ্ছেন না কোনো প্রশ্নের উত্তর

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৪, ০৬:৪৫ পিএম

রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক এলাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে দায়িত্ব পালনকালে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল হককে খুব কাছ থেকে গুলি করেন আরেক কনস্টেবল কাওসার আহমেদ। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মনিরুল। যা এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি।

৮ জুন রাতে ফিলিস্তিন দূতাবাসের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জাপান দূতাবাসের এক গাড়িচালকও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আরেকজন বাইসাইকেল আরোহীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

এ ঘটনায় কনস্টেবল কাউসার আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে থানায় নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও মুখ খুলছেন না তিনি। পুলিশ বলছে, পাগলের বেশ ধরেছেন কনস্টেবল কাউসার। কোনো প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না তিনি।

কনস্টেবল মনিরুল ইসলামকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই মাহাবুবুল হক বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ মামলায় আসামি কাওসারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, মনিরুলের সঙ্গে কাওসারের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরুলকে গুলি করেন কাউসার। মামলার তথ্যসূত্রে জানা যায়, নিহত মনিরুলের বাড়ি নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায়। আর আসামি কাউসারের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায়।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে বলেন, মনিরুল ও কাউসারের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হচ্ছিল। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরুলকে খুব কাছ থেকে গুলি করেন কাউসার। তবে কী নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হচ্ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনিরুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করার পর কাউসার আলী ঘটনাস্থলে আশপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন। যাকে সামনে পাচ্ছিলেন তার সামনেই অস্ত্র তাক করছিলেন।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র বলছে, কাউসারকে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত মনে হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না। তার গত ১৫ দিনের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিনি যাদের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, যাদের সঙ্গে থেকেছেন, কথা বলেছেন সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App