×

ভিডিও

দে হ না পেলে আনোয়ারুলের আসন শূন্য ঘোষণা নিয়ে জটিলতা

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৭:৫৯ পিএম

গেল ১৩ মে রাতে খুন করা হয় ঝিনাইদহ-৪ আসনের টানা তিনবারের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে। এর মধ্যে ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও মৃতদেহ পাওয়া যায়নি। তবে কলকাতা পুলিশ বলছে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ১২ মে চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত সফরে ভারত যান আনার। এরপরই পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। 

পরে ২২ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য আনার কলকাতায় খুন হয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি তার দেহ। তাই প্রশ্ন উঠেছে দেহ পাওয়া না গেলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

কারণ কোনো সংসদ সদস্যের মৃত্যুর এক সপ্তাহের মধ্যেই আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। সংসদ সদস্য মারা গেলে স্পিকার শোক প্রস্তাব গ্রহণ করেন। সংসদের অধিবেশন চলাকালে কেউ মারা গেলে ওই দিনের জন্য অধিবেশন মুলতবি করার রেওয়াজ আছে।

কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যে আসন শূণ্য ঘোষণার কথা থাকলেও পেরিয়ে গেছে ১৩ দিন, এখনও পাওয়া যায়নি তার মৃতদেহ। জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে আনোয়ারুলের আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করার কথা। কিন্তু যেহেতু তার মরদেহ এখনও পাওয়া যায়নি তাই তার আসন শূণ্য ঘোষণা নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

এছাড়া জাতীয় সংসদের নিয়ম অনুযায়ী কোনও সংসদ সদস্য মারা গেলে কিংবা অনুমতি ছাড়া ৯০ কার্যদিবস সংসদের বৈঠকে উপস্থিত না থাকলে পদ শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনকে জানায় সংসদ। নির্বাচন কমিশন ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের আয়োজন করে। 

সংসদবিষয়ক গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, অতীতে এভাবে কোনো সংসদ সদস্যের মৃত্যু হয়নি। সাধারণত কেউ মারা গেলে মৃত্যু সনদ দেওয়া হয়। এখানে কীভাবে তা করা হবে সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। মরদেহ বা দেহবাশেষ না পেয়ে মৃত্যু সনদ দেওয়া হলে আইনি প্রশ্ন ওঠার সুযোগ থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র যেহেতু তার মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করছে তাই আসন শূন্য ঘোষণা করতে অসুবিধা হবে না বলেও তিনি মনে করেন।

আনোয়ারুল আজিম একজন সংসদ সদস্য ও পরিবহন ব্যবসায়ী। তাঁর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্যও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আনোয়ারুল। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে প্রথমবার সংসদ সদস্য হন তিনি।এরপর থেকে টানা তিনবার তিনি ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য। 

টাইমলাইন: ভারতে এমপি আজিম হত্যাকাণ্ড

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App