×

ভিডিও

অতঃপর চলে গেলেন অভিশ্রুতি, রয়ে গেলেন নাজমুল

Icon

আর.কে. জ্যান

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৪, ১১:৪৮ পিএম

অতঃপর চলে গেলেন অভিশ্রুতি, রয়ে গেলেন নাজমুল

অভিশ্রুতি


অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নাকি বৃষ্টি খাতুন, ধর্মান্তরিত কিংবা ডিএনএ রিপোর্ট, এমন সব আলোচনাকে সঙ্গে নিয়ে ১১ দিন মর্গের হিমঘরে থাকার পর নিজ গ্রাম কুস্টিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে অভিশ্রুতির মরদেহ। তবে ডিএনএ রিপোর্ট না মিলায় এখনও মর্গে রয়ে গেছে নাজমুলের মরদেহ।


গেল ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের ভয়াবহ আগুনে নিহত এই গণমাধ্যমকর্মীর মরদেহ অবশেষে তার বাবা সবুজ শেখের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিআইডি কর্মকর্তা অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মাতুব্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে বৃষ্টির মরদেহ তার বাবার কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় মরদেহ বুঝে নিয়ে অঝোরে কেদে উঠেন সবুজ শেখ।


ঢাকার রমনা কালীমন্দিরের সভাপতি উৎপল সাহা দাবি করেছেন, অভিশ্রুতি ৮-৯ মাস ধরে মন্দিরে যাতায়াত ও পূজা করতেন। সে সূত্রেই তার সঙ্গে পরিচয়। তাই ঢাকার রমনা কালীমন্দিরের সভাপতি উৎপল সাহা হিন্দু প্রথায় সৎকারের দাবি জানিয়েছিলেন। তবে ডিএনএ রিপোর্ট পরিবারের সাথে মিলে যাওয়ায় রমনা কালীমন্দিরের পক্ষ থেকে অভিশ্রুতির মরদেহ তার পরিবারকে হস্তান্তরের চিঠি দেন সিআইডিকে।


এদিকে ডিএনএ রিপোর্ট না মিলায় এখনও মর্গে রয়ে গেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের ছাত্র নাজমুলের মরদেহ। তবে যেহেতু শুধুমাত্র একজনই এসে নাজমুলের মরদেহ নিয়ে যেতে দাবী করেছেন, তাই আদালতের নির্দেশ পেলে তাদেরকে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

 

অভিশ্রুতি শাস্ত্রী ওরফে বৃষ্টি খাতুনের বাবা তার মেয়ের মরদেহ বুঝে পেয়েছেন এবং তিনি তার শেষ আর্তনাদে এটাই বলেছেন, যে একজন বাবাই শুধু বলতে পারবে ১১ দিন তার মেয়ের লাশ মর্গে থাকা এবং তাকে দাফন করতে না পারার যে কি কস্ট।  (৯.২৯ থেকে ৯.৪৮ পর্যন্ত)

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App