×

খেলা

বকেয়া দুই কোটি টাকা পাচ্ছেন জামাল

Icon

প্রকাশ: ১০ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : আর্জেন্টিনার তৃতীয় বিভাগের দল সোলে দা মায়োর সঙ্গে গত বছর ১৫ মাসের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন দেশের ফুটবলের নক্ষত্র জামাল ভূঁইয়া। চুক্তিতে তার পারিশ্রমিক ধরা হয়েছিল মাসিক ১২০০০ ডলার। তবে দেড় বছরের চুক্তি করলেও সাত মাসের বেশি খেলতে পারেননি তিনি। ওই সময়ে চার ম্যাচ খেলে দুটি গোলও করেছিলেন জামাল। পরে বেতন না পাওয়ায় ও অব্যবস্থাপনার কারণে একতরফাভাবে চুক্তি ভঙ্গ করে ক্লাব ছেড়েছিলেন জামাল। পরে ফিফার কাছে বকেয়া চেয়ে আবেদন করেন জামাল। দীর্ঘ শুনানি শেষে গত বুধবার ফিফার ফুটবল ট্রাইব্যুনাল থেকে বড় পরিসরে রায় এসেছে। ব্রাজিলিয়ান বিচারক আন্দ্রে দোস সান্তোস মেগাল জামালের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। বিচার ট্রাইব্যুনালে সোলে দা মায়ো ফিফার ট্রাইব্যুনালের কাছে তাদের পক্ষে কোনো ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি। তাতে রায় চলে আসে জামালের পক্ষে। রায়ে ১২ হাজার ডলার করে সাত মাসের বেতনসহ সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার ক্লাবকে সোলে দা মায়োকে ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৮০ ডলার জামালের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক- যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ২৯৮০ টাকা। যার সঙ্গে ৫ শতাংশ ইন্টারেস্টও যোগ হবে। যেটি দাঁড়ায় ৮৮ হাজার ২০০ ডলারে। একই সঙ্গে ফিফার আইন ভঙ্গ করার কারণে ক্লাবটিকে আরও ৭১ হাজার ২২০ ডলার দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর সঙ্গেও যোগ হচ্ছে ৫ শতাংশ ইন্টারেস্ট। সেখানে জামাল পাবেন ৭৪ হাজার ৭৮০ ডলারের মতো। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সোলে দা মায়ো ক্লাবকে এই অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এদিকে রায়ের পর আর্জেন্টাইন ক্লাবটি ১০ দিন সময় পাচ্ছে আপিল করার। তবে আর্থিক বিষয়গুলো আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। তা নাহলে তিন মাস স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধন নিষিদ্ধ থাকবে ক্লাবটির। ফিফার কাছ থেকে এমন রায় পেয়ে ৩৪ বছর বয়সি জামাল বেশ খুশি। তিনি বলেছেন, ‘আমি অনেক আশা নিয়ে আর্জেন্টিনার সোল দা মায়াতো খেলতে গিয়েছিলাম। ছিলামও অনেক দিন। কিন্তু ওরা আমাকে কোনো টাকা পয়সা দেয়নি। তাই চুক্তির মাঝ পথে সেটি ছিন্ন করে চলে আসতে হয়েছিল। এসেই ফিফার কাছে অভিযোগ করি। এখন রায় পেয়ে আমি অনেক খুশি। আসলে ওরা এমন করবে তা চিন্তাও করিনি। যখন টাকা পয়সা পাইনি। এই বছরের অক্টোবর পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও অব্যবস্থাপনা থেকে সেটি ভঙ্গ করে চলে এসেছি। এসে ওদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করিনি। ফিফায় আইনজীবীর মাধ্যমে অভিযোগ দায়ে করে অবশেষে রায় পেয়েছি।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App