×

খেলা

সমালোচনার মুখে কোহলির ব্যাটিং

Icon

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বিরাট কোহলি। তবে ব্যাটিংয়ের স্ট্রাইক-রেট নিয়ে প্রায়ই সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয় ভারতীয় সাবেক অধিনায়ককে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদের বিপক্ষে জয় পেয়েছে কোহলির দল বেঙ্গালুরু। এই ম্যাচে কোহলি খেলেছিলেন ৪৩ বলে ৫১ রানের ইনিংস। যেখানে তার স্ট্রাইক-রেট ছিল ১১৮.৬০। কোহলির এমন স্ট্রাইক-রেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন ক্রিকেটবোদ্ধারা। যাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন ধারভাষ্যকার সুনীল গাভাস্কার। এ নিয়ে ধারাভাষ্যে সুনীল গাভাস্কার বলেন, ‘কোহলি শুধু সিঙ্গেল, সিঙ্গেল আর সিঙ্গেলই নিচ্ছে। দিনেশ কার্তিক আছে, মহিপাল লমরোর আছে। একটু ঝুঁকি নেয়ার চেষ্টা তো করতে হবে। রজত পাতিদারকে দেখুন। এরই মধ্যে তিনটি ছক্কা মেরেছে ওই ওভারে। সে চাইলে সিঙ্গেল নিতে পারত বা ওয়াইডের জন্য বল ছেড়ে দিতে পারত। কিন্তু না, সে সুযোগ দেখেছে বলে ব্যাট চালিয়েছে।’ এরপর তিনি যোগ করেন, ‘হ্যাঁ, কোহলি খেলেছে এবং মিস করেছে- এটা সহজ না। খোলসবন্দি হয়ে থাকলে, শুধু সিঙ্গেল নিতে থাকলে ব্যাটে বল লাগানো সহজ হবে না। কিন্তু কোহলির এটিই করতে হবে, চেষ্টা করতে হবে। এখন বড় শট খেলার চেষ্টা করতে হবে।’ কোহলি আউট হওয়ার সময় বেঙ্গালুরুর স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১৪০ রান, বাকি ৩১ বল। ক্যামেরন গ্রিন, কার্তিক, স্বপ্নিল সিংরা এরপর বেঙ্গালুরুকে নিয়ে লাফ দেন, ওই ৩১ বলে আসে ৬৬ রান। সেটিই যথেষ্ট হয়েছে এ মৌসুমে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলা হায়দরাবাদকে হারাতে। কোহলির এমন ব্যাটিংয়ের একটি কারণ হিসেবে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার অজয় জাদেজা বলছেন, বেঙ্গালুরু হয়ত বড় লক্ষ্যে খেলেইনি। জিওসিনেমায় তিনি বলেছেন, ‘কোহলির ধারাবাহিকতা নিয়ে কথা বলে হচ্ছে সূর্যের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করার মতো। কিন্তু পাওয়ার প্লে শেষ হয়ে যাওয়ার পরই সে গতি কমিয়েছে। হতে পারে বেঙ্গালুরুর ২ উইকেট হারানোর কারণে। মাঝেমধ্যে এটাও মনে হচ্ছে, বেঙ্গালুরু তাদের খেলোয়াড়দের ভূমিকা নিয়ে বেশ অনড়। ডিকে কার্তিক সব সময়ই শেষে আসবে। সেটি করতে গিয়েই ব্রেক চেপে ফেলছে বেঙ্গালুরু।’ আর সাবেক পেসার রুদ্র প্রতাপ সিং অবশ্য একটা ভালো দিকও দেখতে পাচ্ছেন, ‘সে পাওয়ার প্লেতে নিজেকে বদলে ফেলেছে। আমরা এখন আর তার কাছ থেকে এমন শট দেখি না। সে সময় নেয়, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে, বল অনুযায়ী খেলে। সে আক্রমণ করতে গিয়েছিল ঠিকই। বোলারের লাইন ও লেংথ নষ্ট করতে চেয়েছে, কিন্তু উইকেট পড়ে যাওয়ার পর গতি কমিয়ে ফেলেছে। সাধারণত সে এতটাও ধীরগতির না, এখানে প্রায় ২৪-২৫টি বলে সে কোনো বাউন্ডারিই মারেনি। যার প্রভাব অনেক বড় হতে পারত। তবে ভালো দিক হচ্ছে, সে এক দিক ধরে রেখেছিল, রজত পাতিদারকে কাজটি করার সুযোগ করে দিয়েছে।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App