×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে জাপানি রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশের জন্য সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হবে

Icon

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : বাংলাদেশের জন্য সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করছে জাপান। এক্ষেত্রে জাপান কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি সংশোধন করছে। সেটি করা হচ্ছে নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে টার্গেট করে বাংলাদেশের চাহিদা ও জাপানের পলিসি অনুযায়ী।

গতকাল বুধবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইয়োমা কিমিনোরি। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ হয়।

সাক্ষাৎ শেষে জানানো হয়, সহযোগিতা পরিকল্পনা সংশোধন করছে জাপান। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি তৈরি করা হবে। কোভিডের কারণে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নবম পরিকল্পনায় তা পুষিয়ে নেবে সরকার। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০৩০ সালের জুন মাসের মধ্যে নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) এ পরিকল্পনা তৈরি করছে। এই পরিকল্পনার চাহিদা অনুযায়ী সহযোগিতা করতে প্রস্তুত জাপান।

সাক্ষাৎ শেষে জাপানি রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের মধ্যে নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নবম-পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ। এ বিশাল পরিকল্পনায় জাপানের পলিসি ও বাংলাদেশের চাহিদা অনুয়ায়ী জাপান অর্থায়ন করে পাশে থাকবে। এক্ষেত্রে কোন কোন খাতে সহায়তা দরকার উভয় দেশ মিলে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। সরকারের প্রায়োরিটি অনুযায়ী জাপান পাশে থাকবে।

নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরি করার জন্য ইতোমধ্যেই একটি ধারণাপত্র তৈরি করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশের নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০৩০) : উচ্চ মধ্য আয়ের জন্য টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত প্রবৃদ্ধি’ শিরোনামের ধারণাপত্র নিয়ে আলোচনা করার জন্য ১৫টিরও বেশি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নিয়ে একটি সভা হয়। ধারণাপত্র অনুযায়ী, ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ সময়ের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। এটি ছিল চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সিরিজের মধ্যে প্রথম, যা সরকারের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।

সাক্ষাৎ শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জাপানি রাষ্ট্রদূত আমাকে অভিনন্দন জানাতে এসেছেন। বাংলাদেশের দক্ষতা বাড়াতে জাপান সহযোগিতা দিয়ে আসছে, সেটি অব্যাহত রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের দ্বিতীয় পর্যায়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। জাপানের অর্থায়নে ৪০ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। আমরা একটা টেকনিক্যাল বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের যারা বিশেষজ্ঞ আছে তাদের সঙ্গে আলোচনা হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি নিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। পঞ্চবার্ষিক ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জাপান পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জাপানি রাষ্ট্রদূত আমাকে অভিনন্দন জানাতে এসেছে। বাংলাদেশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জাপান সহযোগিতা দিয়ে আসছে সেটি অব্যাহত রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের দ্বিতীয় পর্যায়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। জাপানের অর্থায়নে ৪০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা একটা টেকনিক্যাল বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের যারা বিশেষজ্ঞ আছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দক্ষতা বাড়ানো নিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। পঞ্চবার্ষিক ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জাপান পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে। জাপান সবসময় আমাদের সঙ্গে আছে। ভবিষ্যতে নানা উন্নয়নে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে তারা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App