×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

শিশু হাসপাতালসহ ইউক্রেনের বহু স্থাপনায় হামলা, নিহত ৪১

Icon

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একটি শিশু হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক ও তিনজনসহ মোট ৪১ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া ১৪০ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত সোমবার সকালে এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চিফ অব স্ট্যাফ আন্দ্রি ইয়ারমাক। খবর- বিবিসি

ওখমাতদিত নামে যে হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করা হয় সেখানে ২০ জন শিশু চিকিৎসাধীন ছিল বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের কর্মকর্তারা। এটি ইউক্রেনের বড় শিশু হাসপাতালগুলোর মধ্যে একটি। সেখানে শিশুদের ক্যান্সার চিকিৎসার পাশাপাশি অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হয়।

হামলার জন্য রাশিয়াকে দুষছে ইউক্রেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরা তাদের নিজেদের স্থাপনাতেই আঘাত হেনেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ?বিভিন্ন শহরে ৪০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোকে এ ব্যাপারে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। টেলিগ্রামে হামলার ছবি পোস্ট করে তিনি বলেন, রুশ হামলার জবাব দিতে হবে। উদ্বিগ্ন হলেই সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে না। সমবেদনা কোনো অস্ত্র না।

হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, হামলায় হাসপাতালের একটি অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অন্য একটি অংশে আগুন ধরে যায়। এতে হাসপাতালটির ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো বলেন, হাসপাতালের হামলার ঘটনায় একজন চিকিৎসকসহ দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। উদ্ধারকারীরা শঙ্কা করছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো অনেক মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন। বিশ্ববাসী দেখুন, তারা (রাশিয়া) কীভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে কিয়েভের নাগরিকদের হত্যা করছে।

হাসপাতালে আসা এক শিশুর মা জানান, হামলার ঘটনা ভয়াবহ। আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না। আমি আমার সন্তানকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করছিলাম।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App