×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

আসামে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭৮

ক্ষতিগ্রস্ত ২২ লাখের বেশি মানুষ

Icon

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম। রাজ্যটিতে বন্যার কারণে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। গত রবিবার রাজ্যে বিভিন্ন জেলায় আরো আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। এতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৮ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন রাজ্যের ২৮টি জেলার ২২ লাখের বেশি মানুষ।

আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি (এএসডিএমএ) জানিয়েছে, রবিবার যে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে ধুবড়ি এবং নলবাড়ী থেকে দুজন করে এবং কাছাড়, গোয়ালপাড়া, ধেমাজি ও শিবসাগর থেকে একটি করে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এএসডিএমএ বলছে, এবারের বন্যায় সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আসামের ২৮টি জেলার ৩ হাজার ৪৪৬টি গ্রামের ২২ লাখ ৭৪ হাজার ২৮৯ জন মানুষ। এর মধ্যে শুধুমাত্র ধুবড়ি জেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি মানুষ- যা আসামের জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

ধুবড়ির পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাছাড় জেলা। এই জেলায় ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯২৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরপরেই রয়েছে বারপেটা জেলা। যেখানে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩২৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এএসডিএমএ আরো জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই বন্যাদুর্গতদের সাহায্য এবং উদ্ধারের জন্য তৎপরতার সঙ্গে কাজ চালাচ্ছে প্রশাসন। বন্যা পীড়িতদের সাহায্যে রাজ্যে মোট ২৬৯টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৫৩ হাজার ৬৮৯ জন মানুষ। এছাড়া আরো ৩৬১ ত্রাণ কেন্দ্রের সাহায্যে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫২০ মানুষকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে।

এএসডিএমের বুলেটিন অনুযায়ী, এবারের বন্যায় আসামের মোট ৬৮ হাজার ৪৩২ হেক্টর জমি প্লাবিত হয়েছে। বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে একাধিক নদীর পানি। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভয় ধরাচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদ। বেশ কয়েকটি জায়গায় এই নদীর পানির স্তর বিপৎসীমার অনেকটা উঁচুতে উঠে গিয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য নদীগুলো যেমন খোয়াংয়ের বুরহিডিহিং, শিবসাগরের দিখৌ, নাংলামুরাঘাটের দিসাং, নুমালিগড়ের ধানসিঁড়ি, ধারামতুলের কপিলি, বারপেটাতে বেকি, গোলকগঞ্জের সংকোশ, বিপি ঘাটের বরাক এবং করিমগঞ্জের কুশিয়ারার জল বিপৎসীমার ওপরে বইছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App