×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

ফাটল পরির্দশনে এমপিরা

Icon

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রাম নগরের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচলের আগেই একাধিক পিলারে ফাটল ধরা পড়েছে। পিলারে এসব ফাটল দেখেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গঠন করা উপকমিটি। ফাটলের বিষয়ে আরো বিশদভাবে যাচাইয়ের জন্য বিশেষজ্ঞদের মতামত নেবে কমিটি। আর অনিয়ম ও ত্রæটিপূর্ণ কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে উপকমিটির প্রধান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ পিলারে ফাটল দেখা গেছে বলে জানান। এক্সপ্রেসওয়ে চালুর আগেই এসব ত্রæটি নিরসনের নির্দেশনা দিয়েছেন উপকমিটির সদস্যরা। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজের মান ও ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সরেজমিন পরিদর্শন করে কমিটি।

এর মধ্যে সম্প্রতি সংসদীয় কমিটির বৈঠকে নবনির্মিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজের গুণগত মান নিয়ে তথ্য অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সংসদীয় কমিটি গত ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভা থেকে তিন সদস্যের একটি উপকমিটি করে দেয়, যার সভাপতি করা হয়েছে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য এম এ লতিফকে। অন্য দুই সদস্য হলেন, বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান এবং সংরক্ষিত আসনের সদস্য পারভীন জামান। প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সভা করেন উপকমিটির সদস্যরা। কমিটির সদস্যরা পরিদর্শনে এসে বেলা ১২টার দিকে প্রথমে এক্সপ্রেসওয়ের পতেঙ্গা প্রান্তে যান। দেড়ঘণ্টা পর লালখান বাজার মোড়ে এসে পরিদর্শন কার্যক্রম শেষ করেন। এ সময় সিডিএর প্রধান প্রকৌশলীসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উপকমিটির সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। পরিদর্শনের সময় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্নস্থানে বেশকিছু অসঙ্গতি উপকমিটির সদস্যদের কাছে দৃশ্যমান হয়। এক্সপ্রেসওয়ের সীমানাপ্রাচীরের সংযুক্ত অংশ কোনোভাবে জোড়াতালি দিয়ে লাগানো, মরচে পড়া নাট-বল্টু, দেয়ালে ফাটলের চিহ্ন এবং বেশ কিছু জায়গায় রড বের হয়ে থাকতে দেখেন কমিটির সদস্যরা। সঙ্গে থাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের ত্রæটিগুলো দেখিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্যরা।

পরিদর্শন শেষে উপকমিটি প্রধান এম এ লতিফ সাংবাদিকদের বলেন, এক্সপ্রেসওয়ের দুটি পিলারে ফাটলসহ কিছু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই কনস্ট্রাকশনে কোনো ত্রæটি আছে কিনা, কোনো অনিয়ম আছে কিনা- সেটি দেখার জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি একটি উপকমিটি করে দেয়। সেই উপকমিটির সদস্যদের নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি। এ প্রকল্পে বিপুল টাকা ব্যয়ের পরও শহরের মানুষ এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারছে না। তাহলে ঋণের এত টাকার সুদ কারা দেবে। যাদের ভুলত্রæটি হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমাদের রিপোর্টে আমরা উল্লেখ করব।

পরিদর্শনে কী কী ত্রæটি পাওয়া গেছে- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা পতেঙ্গা অংশ থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে দেখেছি। এক্সপ্রেসওয়ের উপরে দুপাশের সীমানা দেয়ালে যে ক্লাম লাগানো হয়েছে সেগুলো মানসম্মত নয়। ফিনিশিংয়ে কিছু সমস্যা আছে। দু-এক জায়গায় রডও বের হয়ে আছে। এসব অসঙ্গতি প্রকল্প পরিচালক ও কনসালটেন্টকে দেখিয়েছি। বুয়েট, চুয়েটের প্রকৌশলী এবং বিশেষজ্ঞদের এনে আমরা ত্রæটিগুলো দেখাব। গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কোনো ত্রæটি আছে কিনা সেটা তারা দেখবে। তাদের মতামত নেয়ার পর প্রতিবেদন জমা দেব। গাফিলতি আছে কিনা খুঁজে বের করব।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App