×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

পুরাতন সিলেবাসে প্রশ্ন, জানা গেল ১০ মিনিট পর

Icon

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

রায়হান চৌধুরী, মুরাদনগর (কুমিল্লা) থেকে : পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০ মিনিট পর জানা গেল শিক্ষার্থীদের হাতে যাওয়া প্রশ্ন পুরাতন সিলেবাসের। বিষয়টি কেন্দ্রের এক শিক্ষার্থীর নজরে আসলে নড়েচড়ে বসেন কেন্দ্র সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। প্রথম দেয়া প্রশ্ন তুলে নিয়ে পুনরায় আবার প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের হাতে দেন কেন্দ্র সচিব। এর মঝে শিক্ষার্থীদের ১০ মিনিট সময় পার হয়ে গেছে। পরীক্ষা শেষে অতিরিক্ত দশ মিনিট না দেয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফোঁসছেন।

কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিএমটি দ্বিতীয় বর্ষের কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন-২ বিষয়ের পরীক্ষায় কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম কলেজের পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ওই কেন্দ্রে উপজেলার বাঁশকাইট ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও হায়দ্রাবাদ কলেজের কারিগরি শাখার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছেন।

সূত্রে জানা যায়, গতকাল বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিএমটি দ্বিতীয় বর্ষের কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন-২ বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। এই বিষয়ের আগের পুরাতন সিলেবাসের কোড ছিল ১৮২৩। নতুন সিলেবাসের কোড হচ্ছে ২১৮২৩। কিন্তু ১৮২৩ কোড বিএম শাখার জন্য প্রযোজ্য ছিল। অথচ কেন্দ্রে কোনো বিএম পরীক্ষার্থী ছিল না। সবাই নতুন সিলেবাসের বিএমটি শাখার শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তাদের পরীক্ষার বিষয় কোড ২১৮২৩। বাঁশকাইট কলেজের কেন্দ্র সচিব প্রভাষক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া পুরাতন সিলেবাসের ১৮২৩ কোর্ডের দুই বান্ডেল প্রশ্ন খুলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিলি করেন। একজন শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে তারা বুঝতে পারেন যে বিষয় কোডটি ভুল কাটা হয়েছে। তারপর নতুন সিলেবাসের ২১৮২৩ কোডের বিষয়ের প্রশ্ন খুলে হলে পুনরায় পাঠানো হয়। মাঝখানে দশ মিনিট অতিবাহিত হয়ে যায়। এ বিষয়ে ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও হৈ-হুল্লোড় শুরু হলে পরবর্তী সময়ে ১০ মিনিট বাড়িয়ে দেয়ার প্রতিশ্রæতি দিয়ে তাদের শান্ত করা হয়। কিন্তু পরীক্ষা শেষে ১০ মিনিট সমন্বয় না করায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ সঞ্চারিত হয়।

কেন্দ্র সচিব নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে, বিষয়টি তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, কেন্দ্রে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। প্রশ্নপত্রের সবকটি ভান্ডেল কেন খুললেন? এমন প্রশ্ন করলে তিনি ফোন কেটে দেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিফাত উদ্দিন পুরাতন সিলেবাসের প্রশ্ন দেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সঠিক প্রশ্নটি খুঁজে না পাওয়ায় ভুলক্রমে পুরাতন সিলেবাসের প্রশ্নটি বিতরণ করা হয়। তবে কোনো পরিক্ষার্থীর যদি কোনো সময় নষ্ট হয়ে থাকে তাকে সময় বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App