×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী

শিখন পদ্ধতি বদলাতে হবে

Icon

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শিখন পদ্ধতি বদলাতে হবে

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এই কার্যক্রমকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিলে উচ্চশিক্ষায় গুণগতমান আরো বাড়বে। শিক্ষার্থীরাও মানসম্মত পড়াশোনা শিখতে পারবে। প্রান্তিক পর্যায়ের কলেজ শিক্ষকদের মাস্টার ট্রেইনারের অংশ হিসেবে অ্যাডভান্স প্যাডাগোজি বিষয়ে ২৮ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন বক্তারা। গতকাল বুধবার রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম) মিলনায়তনে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি।

প্রধান অতিথি বলেন, শিক্ষার্থীদের ডায়ভার্সিফাইড নলেজ দিতে হবে। শিখন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে হবে। শিক্ষার্থীদের সনাতন পদ্ধতিতে শিখালে চলবে না। শিখনের ক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উন্নত মানসিকতা তৈরিতে শিক্ষকদের ভূমিকা পালন করতে হবে। তারা যেন অভিজাত মানসিকতার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম কলেজ শিক্ষকদের জন্য কলেজ এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট (সিইডিপি) প্রজেক্ট চালু করেছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমেই আমরা কলেজ শিক্ষাকে আধুনিক ও মানসম্মত করে গড়ে তোলার নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আজকের স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কেননা প্রতিটি নাগরিককে স্মার্ট নাগরিকে পরিণত করতে হলে দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে তাদের গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

শিক্ষকদের উদ্দেশে উপাচার্য ড. মশিউর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীরা সৎ হয়ে উঠুক, দেশপ্রেমিক হয়ে উঠুক, বাংলাদেশকে ভালোবাসুক, এই মাটিকে ভালোবাসুক- সেটি স্মার্টনেসের সবচেয়ে বড় জায়গা। যার সঙ্গে মা এবং মাতৃভূমির বন্ধন তৈরি হয়, তার দ্বারা দুর্নীতি করা সম্ভব নয়। শিক্ষক হিসেবে ক্লাসরুমে এইটুকুন শিক্ষাও যদি দেয়া যায় তাহলেও সেটি কম নয়। একজন মানুষ আধুনিক কৃষক হোক, ডাক্তার হোক, প্রযুক্তিবিদ হোক। কিন্তু একইসঙ্গে তিনি সৎ মানুষ, মানবিক মানুষ হোক। আমি শুধু বলব, আমাদের যে শিক্ষার্থী ক্লাসবিমুখ হয়ে উঠেছে, আমাদের যে অভিভাবকের মধ্যে হতাশা কাজ করছে তাদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে লিংক করে দিতে হবে।

সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআইএএম এর মহাপরিচালক মো. মাহবুব-উল-আলম, বিআইএম এর মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান, সিইডিপির প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মোহাম্মদ খালেদ রহীম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর এর অধ্যাপক ড. দিবা হোসেন। বিজ্ঞপ্তি

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App