×

খবর

গাজায় আগ্রাসন

অস্ত্র স্বল্পতায় যুদ্ধবিরতি চান ইসরায়েলের জেনারেলরা

Icon

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু করতে চায় ইসরায়েলের শীর্ষ জেনারেলরা। হামাস টিকে থাকলেও যুদ্ধবিরতি চায় তারা। আর এ নিয়ে সেনাবাহিনী ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। কারণ হামাসকে যুদ্ধে টিকে থাকতে দেয় এমন যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করছেন তিনি। ছয়জন বর্তমান ও সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তার সাক্ষাৎকারে জানা গেছে, জেনারেলরা মনে করেন, গাজায় এখনো বন্দি প্রায় ১২০ জন ইসরায়েলিকে মুক্ত করার সর্বোত্তম উপায় হবে যুদ্ধবিরতি। এছাড়া কয়েক দশকের মধ্যে ইসরায়েল দীর্ঘতম যুদ্ধের পরে আরো যুদ্ধের জন্য অপ্রস্তুত। কারণ অক্টোবর থেকে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে স্থল যুদ্ধ শুরু হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে তাদের বাহিনীকে পুনর্গঠন করতে সময় প্রয়োজন। এছাড়া তাদের যুদ্ধাস্ত্র কম রয়েছে- বলেছেন একাধিক কর্মকর্তা।

এদিকে গাজার সবচেয়ে বড় আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক আবু সালমিয়াকে সোমবার মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। তাকে সাত মাস আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। তবে নেতানিয়াহু ওই পরিচালকের শিগগির মুক্তিকে ‘গুরুতর ভুল’ বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, শিন বেট গোয়েন্দা সংস্থাকে মুক্তির বিষয়ে তদন্ত পরিচালনা করতে এবং গত মঙ্গলবারের মধ্যে তাকে ফলাফল সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। শিফা হাসপাতালের পরিচালকের মুক্তি একটি গুরুতর ভুল এবং একটি নৈতিক ব্যর্থতা। যার নেতৃত্বে আমাদের লোকজনকে অপহরণ, হত্যা ও কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের অজান্তেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেন তিনি। হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীর সঙ্গে সালমিয়াকে আটক করার পর গত ২৩ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদ্বেগ প্রকাশ করে। হামাস সামরিক অভিযানের জন্য আল-শিফাসহ হাসপাতালগুলোকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। তবে হামাস তা অস্বীকার করে আসছে।

অন্যদিকে গাজার পূর্বাঞ্চলীয় দ্বিতীয় শহর খান ইউনুস ছেড়ে পালাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। দুই সপ্তাহ আগে এলাকাবাসীর বাড়িঘর খালি করার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। আবারো হামলা চালানোর আগে গত সোমবারের মধ্যেই নির্দেশ কার্যকরের ঘোষণাও দেয় তারা। এর পর থেকেই হেঁটে বা গাড়িতে জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে পালাচ্ছেন বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়া ফিলিস্তিনিরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা অবশ্য রাতভর ও সকালেও খান ইউনুসের আশপাশে একাধিক ইসরায়েলি হামলার কথা জানিয়েছেন। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, এসব হামলায় আটজন নিহত ও ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছে।

এদিকে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদ সোমবার ইসরায়েল লক্ষ্য করে রকেট ছুড়েছে। তাদের যোদ্ধারা গাজার সীমান্ত বেড়াসংলগ্ন বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি এলাকা লক্ষ্য করে রকেট ছুড়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি। তারা বলেছে, আমাদের ফিলিস্তিনি লোকজনের বিরুদ্ধে জায়নবাদী শত্রæদের অপরাধের প্রতিক্রিয়ায় এসব রকেট ছোড়া হয়েছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসির।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App