×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

সুনামগঞ্জে নদীপথে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন

Icon

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সুনামগঞ্জে নদীপথে অতিরিক্ত টোল  আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদী ও জামালগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদীতে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচড় পাঁচগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন মিয়ারচড় বালি-পাথর সমিতির সভাপতি আব্দুল গণি। ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- ব্যাবসায়ী সেন্টু মিয়া, কামাল মিয়া, জামাল উদ্দিন, জামালগঞ্জ নৌ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক এম আল আমিন, সদস্য নুর মোহাম্মদ, বাল্কহেড নৌকার মাঝি চাঁদপুর জেলার সাঈদ হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সুনামগঞ্জের বালি মহালে স্টিল বডির বাল্কহেড নৌকা নিয়ে আসলে ৪ ঘণ্টার নৌপথ পারি দিতে দুই উপজেলার চার জায়গায় অতিরিক্ত টোল দিতে হয়। টোল আদায়ের নামে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়া হয়। এ রকম আর কোথাও দেখা যায় না। বিআইডব্লিউটিএর নামে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মতো টোল আদায় করায় আমরা বিপাকে পড়েছি। এই বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে বালু নিতে কোনো নৌকা এখানে আসবে না।

শুধু তাই নয় তাহিরপুরের গাঘড়াঘাট এবং ফাজিলপুর ঘাটে এক বছর আগেও আমরা এক থেকে দেড় হাজার টাকা টোল দিয়েছি। কিন্তু এ বছরে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে। টোল আদায়কারীরা স্থানীয় এমপির প্রভাব খাটিয়ে প্রতি ফুট বালু থেকে এক টাকা হারে টোল আদায়ের নামে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করছে। তাদের কথামতো টাকা না দিলে মারধরের শিকার হতে হয় এবং কাছে থাকা জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়।

আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে জোড় দাবি জানাচ্ছি যে, অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ করতে হবে। সরকারি নিয়মেই ঢোল আদায় করতে হবে। টোল আদায়ের চার্ট টাঙানো ছাড়াও রশিদের মাধ্যমে টোল আদায় কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি আমরা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালমা পারভীন ভোরের কাগজকে বলেন, এ ব্যাপারে আমাকে এখন পর্যন্ত কেউ কিছু জানায়নি। এটি নিয়ে যেহেতু অভিযোগ উঠেছে। সে কারণে আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হবে। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ অ্যাডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলে হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App