×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

ফতুল্লায় দিনদুপুরে আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

Icon

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : জেলার ফতুল্লা উত্তর কাশিপুর আলীপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও বালু ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সুরুজ মিয়া ওরফে সুরুজ মেম্বার (৬৫) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন তার দুই ছেলেসহ ৪ জন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকার একটি মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাদের ৫ জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর সুরুজকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

নিহত সুরুজ মেম্বার ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক এবং আলীপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি। আহতরা হলেন- সুরুজ মিয়ার দুই ছেলে মো. জনি আহমেদ (৩৫) ও রাজু আহমেদ (৪০)। বাকি দুজন অটোরিকশা চালক মো. রাসেল (৩২) ও শাকিল (৩০)।

সুরুজ মিয়ার ভাগনে নূর হোসেন লিখন ও আহত জনির ভাতিজা রিয়াজ উদ্দিন জানান, তাদের বাড়ি ফতুল্লার উত্তর কাশিপুর আলীপাড়া গ্রামে। তাদের অটোরিকশার গ্যারেজ ও ইট-বালুর ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসা নিয়ে এলাকার সালাউদ্দিন সালু ও হিরার সঙ্গে তাদের বিরোধ ছিল। এছাড়া সালু ও হিরা এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে সকালে চাঁদা দাবি করেন। পরে ভুক্তভোগী ভবন মালিক এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে সুরুজ মিয়ার কাছে বিচার দিলে তিনি সালু ও হিরাকে শাসন করেন। এর জেরে এলাকার মসজিদে জোহরের নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর সুরুজ মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সালু, হিরাসহ ২০-২৫ জনের একটি দল। এ সময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুরুজ মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে ছেলেসহ স্বজনরা এগিয়ে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে আহত করে ঘাতকরা। ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া সুরুজ মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি ফতুল্লা থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা থানার ওসি নূরে আযম জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও বালু ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গতকাল দুপুরে প্রতিপক্ষের লোকজন সুরুজ মিয়াসহ পাঁচজনকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সুরুজ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতেদর চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। যত দ্রুত সম্ভব আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App