×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

উপগ্রহের তোলা ছবি প্রকাশ

সীমান্তে ‘দেয়াল’ তুলছে উত্তর কোরিয়া

Icon

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তের কাছে বেশ কয়েকটি স্থানে উত্তর কোরিয়ার কিছু স্থাপনা নির্মাণের ছবি ধরা পড়েছে স্যাটেলাইট ছবিতে। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্তে দেয়াল তুলছে উত্তর কোরিয়া। বিবিসি ভেরিফাইয়ের বিশ্লেষণ করা ছবিগুলোতে দেখা গেছে, নিরস্ত্রীকৃত এলাকার (ডিএমজেড) অভ্যন্তরের কিছু জায়গা পরিষ্কার করা হয়েছে, বিশ্লেষকরা যাকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দীর্ঘকালীন যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে মনে করছেন।

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তে ৪ কিলোমিটার নিরাপদ অঞ্চলকে নিরস্ত্রীকৃত এলাকা ধরা হয়। উত্তর কোরিয়ার এই সা¤প্রতিক কার্যকলাপকে ‘অস্বাভাবিক’ বলছেন বিশেষজ্ঞদের। এমন এক সময় চিত্রগুলো সামনে এসেছে, যখন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। সিউলভিত্তিক বিশেষজ্ঞ সাইট এনকে নিউজের সংবাদদাতা শ্রেয়াস রেড্ডি বলেন, এই মুহূর্তে আমরা শুধু অনুমান করতে পারি যে, উত্তর কোরিয়া সীমান্তে তাদের সামরিক উপস্থিতি ও শক্তি জোরদার করতে চাইছে।

উপগ্রহ ছবিগুলোতে দেখা গেছে, সীমান্তের পূর্ব প্রান্তের কাছাকাছি প্রায় এক কিলোমিটার-জুড়ে তিনটি জায়গায় নিরস্ত্রীকৃত এলাকার দেয়ালের মেতা স্থাপনা তোলা হয়েছে। সীমান্তের অন্যান্য অংশে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টিও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। ওই এলাকার আগের ছবি না থাকায় বোঝা যায়নি, এসব স্থাপনা কবে থেকে নির্মাণ শুরু হয়েছে। তবে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ধারণ করা ছবিতে এসব স্থাপনা দেখা যায়নি।

সিউলের আসান ইনস্টিটিউট ফর পলিসি স্টাডিজের সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ড. উক ইয়াং বলেন, আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন হচ্ছে, এই প্রথমবারের মতো তারা একে অন্যের স্থানগুলোকে আলাদা করতে দেয়াল তৈরি করল। ১৯৯০ এর দশকে উত্তর কোরিয়া ট্যাংক প্রতিরোধী দেয়াল স্থাপন করেছিল, যাতে যুদ্ধ শুরু হলে ট্যাংকের অগ্রযাত্রা ঠেকানো যায়। কিন্তু স¤প্রতি উত্তর কোরিয়া ২-৩ মিটার উঁচু দেয়াল তৈরি করছে এবং সেগুলো ট্যাংক প্রতিরোধী দেয়ালের মতো নয়।

উপগ্রহ ছবিগুলো পর্যালোচনাকারী ড. ইয়াং আরো বলেন, দেয়ালগুলোর আকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এগুলো শুধু ট্যাংক বাধা দেয়ার জন্যই নয় বরং কোনো এলাকাকে বিভক্ত করতে তৈরি করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়া অংশে নিরস্ত্রীকৃত এলাকায় জমি ব্যবহারের প্রমাণও পাওয়া গেছে।

সীমান্তের পূর্ব প্রান্তের সর্বশেষ উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, সেখানে একটি নতুন রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের (জেসিএস) এক কর্মকর্তা স¤প্রতি এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, তাদের সামরিক বাহিনী সীমান্তের ‘কৌশলগত’ সড়ক ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, মাইন স্থাপন এবং পতিত জমি পরিষ্কার করার তৎপরতা চিহ্নিত করেছে। তবে কোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিভাগের অধ্যাপক কিল জু বান বলেছেন, সামরিক ও অসামরিক, উভয় দিক থেকেই ভূমি পরিষ্কার করা হতে পারে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের এশিয়া ও কোরিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ভিক্টর চা বলেন, নিরস্ত্রীকৃত এলাকায় কাঠামো নির্মাণ করা অস্বাভাবিক এবং পূর্ব আলোচনা ছাড়াই যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হতে পারে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App