×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

সিপিডির সংলাপে এম এ মান্নান

বাজেট কোথায় ব্যয় হয় তা বিচার করা দরকার

Icon

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : বাজেট কোথায় ব্যয় হয়, সেখান থেকে জনগণ কী পাচ্ছে- তা বিচার করা দরকার বলে মনে করেন সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, এমন প্রকল্প আমার হাত দিয়ে গেছে বা যাচ্ছে যেগুলোর সঙ্গে আমি মনে-প্রাণে একমত নই। আমি সরকারের অংশ এ মুহূর্তে নই। রাজনৈতিকভাবে দলে ও সংসদে আছি। সাধারণ মানুষ ও গ্রামীণ এলাকার প্রতিনিধিত্ব করছি। আমরা গ্রামে বিদ্যুৎ পেয়েছি, কমিউনিটি ক্লিনিক পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী এসব দিয়েছেন। কৃষিতে আমাদের বিশাল অর্জন হয়েছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) আয়োজনে ঢাকার একটি হোটেলে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বাধীন পর্যালোচনা : ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের বিশ্লেষণ’ শীর্ষক সংলাপে এম এ মান্নান এসব কথা বলেন। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর সঞ্চালনায় এতে মূল পর্যালোচনা তুলে ধরেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। সংলাপে আরো বক্তব্য দেন সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান ও রাশেদা কে চৌধূরী, সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, শ্রমিকনেতা রাজেকুজ্জামান রতন, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ প্রমুখ।

প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, বাজেটে কোথায় ব্যয় করছি, সেখান থেকে আমরা কী পাচ্ছি- এসব বিচার করা দরকার। আদৌ কোনো রিটার্ন পাচ্ছি কিনা, দেখা দরকার। আমরা বাস করি ভূ-তলে, বিনিয়োগ করি পাতালে। এই প্রবণতা নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, আমি প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়িত ছিলাম প্রায় ১০ বছর। আমার অনেক ব্যক্তিগত আপত্তি আছে। যেহেতু আমি টিম ওয়ার্কার, ক্যাপ্টেন আমার দলের জন্য মানা উচিত, না হলে আমি আছি কেন দলের সঙ্গে। রাজনৈতিকভাবে বৃহত্তর অর্থে আমি তার সঙ্গে আছি। কিন্তু এখানে ফাঁকফোকরে কোনো কোনো জায়গায় আমার ভিন্নমত অবশ্যই আছে। ‘মূল্যস্ফীতি আমাদের কষ্ট দেয়’ স্বীকার করে সাবেক এই পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সাধারণ জ্ঞানে বলছি, আমাদের মূল্যস্ফীতি হচ্ছে ক্রিপিং (যা ধীরে ধীরে বাড়ে)। এটা যদি দ্রুতগতির হতো বা বল্গাহীন হতো, তাহলে ছোবল কত বেশি হতো, তা অচিন্তনীয়।

তিনি আরো বলেন, প্রবৃদ্ধির একটা বাইপ্রোডাক্ট হচ্ছে মূল্যস্ফীতি। একটাকে ছেড়ে আরেকটা করা যাবে না। প্রবৃদ্ধি না করলে আমাদের জীবনযাত্রা নিচে নেমে আসবে। মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে যাবে, কিন্তু আমাদের সবকিছু নেমে আসবে। এই ঝুঁকি আমাদের নিতে হবে। বড় অর্থনীতির দেশগুলো এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই গেছে।

স্বাগত বক্তব্যে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো ও বৈদেশিক মুদ্রা অবনমন ঠেকানোর চেষ্টা- এ দুই ব্যাপারে বাজেটে তেমন একটা পদক্ষেপ দেখিনি। বাজেটে অর্থনৈতিক সূচকগুলোয় যে লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে তা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাস্তবায়নযোগ্য নয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App