×

খবর

শিল্পমন্ত্রী

আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করছে বিসিক

Icon

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

আর্থসামাজিক  উন্নয়ন ত্বরান্বিত  করছে বিসিক

কাগজ প্রতিবেদক : শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিসিক এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে, যা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের আয়োজনে ‘উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে বিসিকের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা এবং ‘কারুশিল্প পুরস্কার ১৪৩০’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিসিক চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার ভৌমিকের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। সম্মানিত আলোচক ছিলেন ভোরের কাগজ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য মো. হাফিজুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

জাকিয়া সুলতানা বিসিকের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, বিসিকের উদ্যোগে দেশের কারুশিল্পীদের মধ্যে তাদের কাজের দক্ষতার স্বীকৃতি স্বরুপ কারুশিল্প পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। এই পুরস্কার কারুশিল্পীদের উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি আবহমান বাংলার সৃজনশীল কারুশিল্পের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার প্রয়াসকে ত্বরান্বিত করবে।

মূল প্রবন্ধে ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, শিল্পায়নে কর্মসংস্থান ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন অব্যাহতভাবে জরুরি। আনুমানিক ৪০/৪২ লাখ সিএমএস উদ্যোক্তাকে চিহ্নিত করে বিসিকের অধীনে পর্যায়ক্রমে প্রকল্প মান, প্রকল্প তৈরি, বাজার সমীক্ষা, অর্থায়ন (সহজশর্তে) প্রচেষ্টা ও দেশে-বিদেশে বাজারজাতকরণ এবং মূল্যায়ন ও সমীক্ষা সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের আদলে ইনকিউবেটর স্থাপন করা সমীচীন হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বিসিক চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার ভৌমিক বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিসিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালে শিল্পসমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত তার বক্তব্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নয়নে বিসিকের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এর আরো উন্নতির উপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে কারুশিল্প পুরস্কার ১৪৩০ প্রদান করা হয়। ১ জন কারুশিল্পীকে শ্রেষ্ঠ কারুশিল্পী হিসেবে কারুরতœ এবং ৯ জন কারুশিল্পীকে দক্ষ কারুশিল্পী হিসেবে কারুগৌরব পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এ বছর শ্রেষ্ঠ কারুশিল্পী হিসেবে শোলা শিল্পের জন্য কারুরতœ পুরস্কার পেয়েছেন ঝিনাইদহের গোপেন্দ্র নাথ চক্রবর্ত্তী। বিজয়ী প্রত্যেককে পুরস্কার হিসেবে সনদপত্র, ক্রেস্ট এবং শ্রেষ্ঠ কারুশিল্পী (কারুরতœ) পঞ্চাশ হাজার টাকা ও দক্ষ কারুশিল্পীদের (কারুগৌরব) প্রত্যেককে ত্রিশ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App