×

খবর

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নদীর ওপর মার্শাল ল শাসন চলে

Icon

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যদি সপরিবারে হত্যা করা না হতো, তাহলে আজকে এত সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হতো না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর কোনো সরকার নাব্যতা, সিলটেশন ইত্যাদি নিয়ে কথা বলেনি, কোনো কাজ করেনি, শুধু রুটিন ওয়ার্ক করেছে। ইমারজেন্সি দিয়ে দেশ চালিয়েছে। নদীর ওপর মার্শাল ল’ শাসন চলেছে।

গতকাল রবিবার ঢাকায় মতিঝিলস্থ বিআইডব্লিউটিএ ভবনে বিআইডব্লিউটিএ এবং ইউএসএইড আয়োজিত ‘মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল আপগ্রেডিং প্রজেক্ট-কনসেপচুয়াল স্টাডি’ বিষয়ক ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতের ছোঁয়া যে জায়গায় পৌঁছেছে, তা সোনায় পরিণত হয়েছে। ১৯৭৪ সালে মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথটি উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু। এই মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। চ্যানেলে নাব্য সমস্যা রয়েছে। সেগুলো দূর করার জন্য বিআইডব্লিউটিএ কাজ করছে। আমরা এক্সপার্ট দিয়ে কাজ করতে চাই। এই চ্যানেলের ড্রেজিং কাজটি নিখুঁত হতে হবে। এটি বাংলাদেশ-ভারত নৌ প্রটোকল রুটের অংশ। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু নৌপথের নাব্য ধরে রাখার জন্য ১৯৭৫ সালে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর কোনো সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান ড্রেজার সংগ্রহ করেননি। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিআইডব্লিউটিএ-তে ৩৮টি নতুন ড্রেজার সংযুক্ত হয়ে ৪৫টি হয়েছে। আরো ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিআইডব্লিউটিএর ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিংয়ের বালু নদীতে ফেলা হয় না। শুধু ইমারজেন্সি ফেরি রুট ও নৌরুট খননের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ নিয়েছেন বলে নৌপথ খননে ড্রেজারের অভাব নেই। সরকারি ও বেসরকারি মিলে প্রায় ২০০ ড্রেজার আছে। সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই এই পরিবর্তন এসেছে। ২০১০ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলটির নাব্যতা বজায় রেখেছিল। মোংলা বন্দরের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য ২০১৩-১৪ সালের দিকে ক্যাপিটাল ড্রেজিং শুরু করা হয়েছিল। বর্তমানে চ্যানেলটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মেইনটেনেন্স ড্রেজিংয়ের প্রয়োজন হচ্ছে। আজকের এই কনসেপচুয়াল স্টাডি থেকে লব্ধ জ্ঞান ফিজিবিলিটি স্টাডিতে কাজে লাগবে।

বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, বিআইডব্লিউটিসির সদস্য (প্রকৌশল) মোহাম্মদ মনোয়ার উজ জামান এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের পরিচালক রুবায়েত আলম। ইউএসএইডের টিম লিডার জীন হেনরী লেবোয়রী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। দিনব্যাপী এ ওয়ার্কশপে শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App