×

খবর

ওবায়দুল কাদের

সিপিডি-টিআইবি কী বলল তাতে মাথাব্যথা নেই

Icon

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

 সিপিডি-টিআইবি কী বলল  তাতে মাথাব্যথা নেই

কাগজ প্রতিবেদক : অনেকের হাতে গোপনে থাকা টাকা উদ্ধার করতে বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকে আনার ব্যবস্থা করছি। ১৫ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় আমরা অর্থনীতির মূল ধারায় আনার ব্যবস্থা করছি। ব্যাংকে এলে করের সুবিধা আরো বাড়বে। ব্যাংকিং সিস্টেমে অর্থপ্রবাহ বাড়বে। এখন সিপিডি কী বলল, টিআইবি কী বলল, সুজন কী বলল- এসব নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। ওরা সবাই বিএনপির সুরে সুর মিলিয়ে কথা বলে। কথার সঙ্গে তাদের বাস্তব কর্মকাণ্ডে মিল নেই। গতকাল শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

বাজেট নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আজকে বড় বড় কথা বলে। অর্থবাজারের কথা বলে। কালোটাকার কথা বলে। দেশকে গিলে খাওয়ার কথা বলে। তাদের সর্বশেষ বাজেট ছিল ৬৮ হাজার কোটি টাকা। তারপরও বাজেটের আগে সাইফুর রহমানকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ফোরামে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে দৌঁড়াতে হয়েছিল। আমাদের সময়ে বাজেট দেয়ার আগে কোনো অর্থমন্ত্রীকে বিদেশে গিয়ে ভিক্ষা চাইতে হয়নি। এতে বুঝতে পারেন দেশটা কোথা থেকে কোথায় আসছে। মুদ্রাস্ফীতি দৃঢ়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন অংশের সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হব। এই বাজেটে মানুষের মৌলিক অধিকার, কৃষি, দেশীয় শিল্প ও সামাজিক নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এটা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অবৈধ কাজের শাস্তি মওকুফের সুযোগ নেই। ফৌজদারি অপরাধের বিচার প্রচলিত আইনেই হবে। অন্যদের মাধ্যমে কর রিটার্ন তৈরিসহ বিভিন্ন কারণে অনেকের রিটার্নে সব সম্পদের বিবরণ থাকে না। এসব ভুল সংশোধন করার সুযোগ থাকতে হবে। অপ্রদর্শিত অর্থ ও সম্পদ মূল ধারায় এনে ভবিষ্যতে তার ওপর আয় থেকে সরকার রাজস্ব আদায় অধিক পরিমাণে বাড়াতে চায় বলেও জানান এই নেতা। বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজেরাই হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন লন্ডনে বসে আরাম-আয়েশে দিন যাপন করছেন। সেই টাকার হিসাব মির্জা ফখরুল সাহেবদের দিতে হবে। আওয়ামী লীগের যেসব নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে, সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আপনারা তাদের তালিকাটা দেন, আমরা দুদককে বলব তদন্ত করতে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, কৃষি সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App