×

খবর

মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে

Icon

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

 বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে

কাগজ প্রতিবেদক : মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিমিন হোসেন (রিমি) বলেছেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক সমস্যা। ইউএনএফপিএ ও ইউনিসেফের সহায়তায় বাল্যবিয়ে নিরসন প্রচেষ্টা আরো জোরদার করেছে সরকার। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

গতকাল বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁয়ে ইউএনএফপিএ ও ইউনিসেফ এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত গেøাবাল প্রোগ্রাম টু অ্যান্ড চাইল্ড ম্যারিজ (জিপিইসিএম) এর তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সম্পদ সীমাবদ্ধ, বিশ্বায়নের এই যুগে আমরা পরস্পরের সহযোগিতা ও রিসোর্স শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রমকে আরো সমৃদ্ধ ও গতিশীল করতে পারব। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা অন্যান্য দেশের কার্যক্রম এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে তাদের কার্যকরী উদ্যোগ ও ইনোভেশন সম্পর্কে জানতে পারছি এবং একই সঙ্গে সেটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু কার্যকর তা পরীক্ষা করার সুযোগও পাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাল্যবিয়ে নির্মূল করা শুধু সরকার বা একক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। গত ৫০ বছরে ডেভেলপমেন্ট পার্টনারের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বাল্যবিয়ের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে বিয়ে বন্ধ করা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এটি শুধু একটি সাময়িক সমাধান। আমাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে কেউ বাল্যবিয়ের চিন্তাও না করে। মানুষের চিন্তা-চেতনার জায়গায় পরিবর্তন আনতে আমরা কাজ করছি। বাল্যবিয়ের যে প্রথা ও রীতিগুলো রয়েছে সেগুলোকে ভাঙতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাল্যবিয়ে হলো আমাদের সম্পদের অপচয়। একটি কিশোরীর বাল্যবিয়ের শিকার হওয়া মানে সে সম্পদে পরিণত না হয়ে দায়ে পরিণত হওয়া। বাল্যবিয়ে রোধে মা-বাবাদের আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করুন। আপনার এই বিনিয়োগ দ্বিগুণ হয়ে ফিরে আসবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App