×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধস

দুই হাজারের বেশি মানুষ মাটিচাপা পড়ে আছে

Icon

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে দুই হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় দুর্যোগকেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে। পাপুয়া নিউগিনির এনগা প্রদেশের ইয়ামবালি গ্রামের কাছে গত শুক্রবার এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মৃত মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

জাতিসংঘের একটি সংস্থা গত রবিবার জানিয়েছিল, পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধসে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে ওইদিন জাতিসংঘের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে পাপুয়া নিউগিনির জাতীয় দুর্যোগকেন্দ্র জানায়, তারা দুই হাজার লোকের প্রাণহানির আশঙ্কা করছে। ভূমিধসের কারণে ভবন ও কৃষিজমিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানায় তারা। চিঠিতে আরো বলা হয়, ধীর গতিতে হলেও এখনো ভূমিধস অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছে।

পাপুয়া নিউগিনিতে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা কেয়ার ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর জাস্টিন ম্যাকমোহন গতকাল সোমবার এবিসি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটির আশপাশে প্রায় চার হাজার মানুষের বসবাস ছিল।

তবে স্থানীয় লোকজনের সংখ্যা আসলে কত ছিল, তার যথাযথ হিসাব পাওয়াটা কঠিন। কারণ, পাপুয়া নিউগিনিতে ২০০০ সালের পর আর নির্ভরযোগ্য কোনো আদমশুমারি হয়নি। দুর্গম পার্বত্য গ্রামগুলোতে অনেক মানুষের বসবাস। স¤প্রতি দেশটি ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৪ সালে আদমশুমারি হবে। দুর্গত এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় ও কাছাকাছি জায়গায় আদিবাসীগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত চলার কারণে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা বলেন, পাপুয়া নিউগিনির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তবে প্রথম খননযন্ত্রটি পৌঁছাতে গতকাল রাত হয়ে গেছে। গত শুক্রবার ভোরে পাপুয়া নিউগিনির এনগা প্রদেশে ভূমিধসের ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ২৫০ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ১৫০টির বেশি ঘরবাড়ি মাটির নিচে চাপা পড়েছে। প্রায় ২৫০টি বাড়ি পরিত্যক্ত হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App