×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

খবর

আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক আরো উন্নত হতে যাচ্ছে

আবুধাবিতে রাষ্ট্রদূত আবু জাফর

Icon

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সাইফুল ইসলাম তালুকদার, ইউএই থেকে : আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বাংলাদেশের ৫৪তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত মঙ্গলবার রাতে আবুধাবির হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল বলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাত সরকারের ফরেন অ্যাফেয়ার্সের আসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার সুলতান আল শামসি।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন আমিরাতে অবস্থানরত পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ ৫০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিকরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন, ওয়ার্ল্ড সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিআইপি মো. মাহাতাবুর রহমান নাসির। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশ কনস্যুলেট, জনতা ব্যাংক, বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার, প্রবাসী কম্যুনিটির নেত, মিডিয়াকর্মীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর বলেন, বর্তমানে ইউএইর সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে এবং আগামী বছর থেকে তা পার্টনারশিপ পর্যায়ে উন্নীত হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে আরব আমিরাতে রিয়েল এস্টেট এবং কনস্ট্রাকশন সেক্টরে কাজ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী এদেশে আসা শুরু করে। আজ বাংলাদেশ এবং ইউএইর কূটনৈতিক সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশি। আরব আমিরাতের ১০ লাখের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি আছে। তিনি বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে বড় একটি চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে আরো ব্যাপকভাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে আরব আমিরাতের আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার কথা বলেন তিনি।

কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেনের মতে, ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের আমিরাত সফরে আমিরাতের জাতির পিতা শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সঙ্গে যে সম্পর্কের সূচনা করেছেন তা অদূর ভবিষ্যতে আরো দৃঢ়তর হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App