×

খবর

নিখোঁজের ৪ দিন পর অটোচালকের হাত বাঁধা লাশ উদ্ধার

Icon

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় নিখোঁজের ৪ দিন পর হাত বাঁধা অবস্থায় নয়ন (২০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ। ওই যুবক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাত। গত ১৪ মে নিখোঁজের ওই রাতে ডেমরা এলাকা থেকে তার চালিত অটোরিকশাটি উদ্ধার হলেও তার সন্ধান মেলেনি। এছাড়া রিকশাটির ব্যাটারি ও কিছু সরঞ্জামাদি খোয়া গিয়েছিল। গতকাল শনিবার দুপুর ২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, শনিবার (গতকাল) দুপুরে খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী থানাধীন একটি প্রজেক্টের ভেতরে বাউন্ডারি দেয়া প্লটের মধ্যে তার লাশ দেখা যায়। রশি দিয়ে তার হাত আর কাপড় দিয়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় ছিল। মৃতদেহ কিছুটা পচে গেছে ও পোকা ধরেছে। পরবর্তী সময়ে সিআইডির ক্রাইমসিনকে খবর দেয়া হয়। তারা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।

তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি কয়েকদিন আগে ঘটেছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, নিহত নয়নের মা রিনা আক্তার বলেন, নয়নের বাবার নাম মো. বাবুল। তাদের বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কেবলনগর গ্রামে। বর্তমান যাত্রাবাড়ীর শেখদি এলাকায় থাকেন তারা। ৬ মাস বয়সি একটি ছেলে সন্তান রয়েছে নয়নের। ভাড়ায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চালাত সে।

তিনি বলেন, গত ১৪ মে দুপুরে বাসা থেকে বের হয় নয়ন। সে বলেছিল, রিকশা চালাতে যাবে। ওদিন রাতে সে আর বাসায় ফিরেনি। তার সঙ্গে কোনো মোবাইল ফোন না থাকায় যোগাযোগ করার কোনো সুযোগও ছিল না পরিবারের। পরের দিন দুপুরে তার রিকশার মালিক তাদের খবর দেন, মুগদায় নদীর পার থেকে সেই রিকশাটি পাওয়া গেছে। তবে নয়নকে পাননি। আর রিকশার ব্যাটারি ও কিছু সরঞ্জামাদিও পাওয়া যায়নি। তখন স্বজনরা থানায় যোগাযোগ করেন। ১৬ মে নিখোঁজের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সবশেষ গতকাল দুপুরে পুলিশের মাধ্যমে তার লাশ উদ্ধারের খবর পান স্বজনরা।

মায়ের অভিযোগ, নিখোঁজের ১ সপ্তাহ আগে মৃধাবাড়ি-শনিরআকড়া রোডে ইজি বাইকের চালকদের সঙ্গে নয়নের একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। গতকাল লাশ উদ্ধারের পর নয়নের দুই বন্ধু আল আমিন ও সাব্বিরের কাছ থেকে সেই মারামারির ঘটনা শুনতে পেরেছেন তিনি। মায়ের সন্দেহ, সেই মারামারির ঘটনার জের ধরেই নয়নকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। আর নয়নের বন্ধু আল আমিন ও সাব্বিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানা যেতে পারে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App