×

খবর

গাজার অস্থায়ী বন্দর

প্রথমবারের মতো পৌঁছাল ত্রাণবাহী জাহাজ

Icon

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ ডেস্ক : প্রথমবারের মতো ত্রাণ সামগ্রীবাহী জাহাজ গাজায় স্থাপিত অস্থায়ী সমুদ্রবন্দরে পৌঁছেছে। গত বৃহস্পতিবার ৫০০ টন ত্রাণসহ মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যানারযুক্ত সেই জাহাজটি গাজার অস্থায়ী বন্দরে নোঙর করেছে। ইতোমধ্যে জাহাজটি থেকে ত্রাণসামগ্রী খালাস করা হয়েছে এবং গতকাল শুক্রবার ত্রাণবাহী ১৫০টি ট্রাক সমুদ্রতীর থেকে গাজার মূল ভূখণ্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াভিত্তিক শীর্ষ কমান্ড সেন্টকম শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বৃহস্পতিবার গাজার অস্থায়ী বন্দরে ৫০০ টন ত্রাণবাহী একটি জাহাজ পৌঁছেছে। তারপর পণ্য খালাস শেষে শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে গাজার মূল ভূখণ্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছে ১৫০টি ট্রাক।’ ‘গাজার বন্দরে ত্রাণ পৌঁছানোর এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং আমরা আশা করব যে অন্যান্য দেশও গাজায় ত্রাণ পাঠানোর জন্য এই বন্দর ব্যবহার করবে,’ বলা হয়েছে সেন্টকমের বিবৃতিতে। দারিদ্র্যপীড়িত গাজা উপত্যকায় বসবাসরত ২২ লাখ ফিলিস্তিনির এক-তৃতীয়াংশই বিদেশি ত্রাণের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান শুরুর পর থেকে সেখানে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে কয়েকগুণ। এদিকে অভিযান শুরুর পর গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফা সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে দেয়। ফলে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার অভাবে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েন এ ভূখণ্ডের ফিলিস্তিনিরা। এই পরিস্থিতিতে গত ৭ মার্চ গাজায় অস্থায়ী সমুদ্রবন্দর নির্মাণের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ঘোষণায় তিনি বলেন, ‘গাজায় সমুদ্রপথে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা সামগ্রী পাঠাতে সেখানে একটি অস্থায়ী বন্দর নির্মাণ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। নির্মাণকাজ শেষ হতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে। বন্দরটি ব্যবহার করা হবে শুধু গাজায় ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর জন্য। কোনো সামরিক প্রয়োজনে এটি ব্যবহার করা হবে না।’ বাইডেনের এই ঘোষণার প্রায় দেড় মাস পর, ২৬ এপ্রিল থেকে গাজায় অস্থায়ী সমুদ্র বন্দর নির্মাণকাজ শুরু করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। কয়েক দিন আগে সেই বন্দর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App