×

খবর

কারাগারে ২ তরুণ

বেড়াতে নেয়ার কথা বলে অটোরিকশায় তরুণীকে ধর্ষণ

Icon

প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম অফিস : নগরীতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে এক পোশাককর্মী তরুণীকে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে ধর্ষণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার রাতে ভোলায় পালিয়ে যাওয়ার সময় ধর্ষণে জড়িত আক্তার (৩০) নামে এক তরুণকে নগরীর হালিশহর বড়পোল এলাকার বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগের রাতে সাগর (১৯) নামে আরেক তরুণকে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ডবলমুরিং থানা পুলিশ। এর মধ্যে সাগর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সাগরের বাড়ি কুমিল্লায়, থাকেন নগরীর মিস্ত্রিপাড়া এলাকায়। আক্তারের বাড়ি ভোলা জেলায়, থাকেন নগরীর বন্দরটিলা এলাকায়। সাগর পেশায় অটোরিকশা গ্যারেজের মেকানিক এবং আক্তার চালক। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী তরুণীর বাসাও নগরীর মিস্ত্রিপাড়া এলাকায়। একই এলাকার একটি অটোরিকশা গ্যারেজের মেকানিক সাগরের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ওই গ্যারেজে নিয়মিত অটোরিকশা রাখার সুবাদে সাগরের সঙ্গে আক্তারের ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। ডবলমুরিং থানার ওসি ফজলুল কাদের পাটোয়ারি ভোরের কাগজকে বলেন, গত ৩ মে সন্ধ্যায় ওই পোশাককর্মী তরুণী কারখানা থেকে বের হওয়ার পর বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সাগর তাকে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেয়। অটোরিকশা চালাচ্ছিল আক্তার। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী পকেটগেট এলাকায় নির্জন রাস্তায় অটোরিকশার ভেতর সাগর ও আক্তার তাকে ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই অটোরিকশায় করে তাকে মিস্ত্রিপাড়ার বাসায় নামিয়ে দেয়। ৪ মে তরুণী থানায় এসে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশ আসামি দুইজনের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করে। ওসি বলেন, টের পেয়ে আসামিরা মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় লাল মসজিদের পাশে অটোরিকশা রেখে গা ঢাকা দেয়। দুজনই চূড়ান্তভাবে চট্টগ্রাম ছেড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। পালানোর আগে সাগর একবার মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় এলে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। আক্তার ভোলায় পালিয়ে যাওয়ার জন্য সোমবার রাতে বড়পোল এলাকায় বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিল। তাকে আমরা সেখান থেকে গ্রেপ্তার করি। এর মধ্যে সাগর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অন্য আসামি আক্তারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App