×

খবর

সীমানা নিয়ে বিরোধ

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা নাগরপুরে

Icon

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : নাগরপুরে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. রাজিব আলম রাজিবকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার ১১টার দিকে ভাদ্রা ইউনিয়নে পংভাদ্রা গ্রামে হতাহতের এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাজিব ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলম মিয়ার ছেলে এবং ভাদ্রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি। এ ঘটনায় পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন। স্থানীয় ও পরিবারের বরাত দিয়ে নাগরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আলীম জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমের সঙ্গে মো. আজহারের বাড়ির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সীমানায় গাছের একটি বেল মাটিতে পড়লে আজাহরের বাড়ির লোকজন বেলটি নিয়ে যায়। এ নিয়ে আজাহার ও আলম মিয়ার পরিবারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে রাজিব আলম রাজিব ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হয় উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন। তাদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করে। তারা হলেন- মৃত কলিমুদ্দিন ছেলে মো. আজাহার ও পলাশ, পলাশের ছেলে রুবেল, আজাহারের ছেলে শান্ত, রুবেলের মেয়ে বৃষ্টি ও আজাহারের স্ত্রী শিল্পী বেগম। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন বলেন, ভাদ্রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. রাজিব আলম রাজিবের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্মা (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা ছুড়ি উদ্ধারসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের ব্যাপারে যাচাই-বাচাই চলছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App