×

খবর

হিটস্ট্রোকে যুবকের মৃত্যু

তাপপ্রবাহে অসহনীয় রাজশাহীর জনজীবন

Icon

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক, রাজশাহী : তাপপ্রবাহে বিপর্যয়কর অবস্থার মুখে পড়েছে রাজশাহীর জনজীবন। বৃষ্টির কোনো সুখবর নেই। গরমে অসহনীয় হয়ে উঠেছে জনজীবন। বিশেষভাবে শ্রমজীবীরা আছেন চরম বিপাকে। গরমে রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। গতকাল রবিবার হিটস্ট্রোকে মারা গেছেন এক যুবক। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গতকাল দুপুর ২টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্য দুপুরে তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায়। এর আগে শুক্রবার বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত বছরের ১৭ এপ্রিল রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ২০০৫ সালের এপ্রিল মাসেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তথ্য বলছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ১৮ মে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতেই রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই দিন রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এটিই এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। তবে চলমান তাপপ্রবাহে অসহনীয় হয়ে পড়েছে জনজীবন। সম্প্রতি জেলার বাগমারায় হিটস্ট্রোকে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। গতকাল হিটস্ট্রোকে দিলীপ বিশ্বাস (৩৫) নামে এক যুবক মারা গেছেন। তিনি জেলার পবা উপজেলার দামকুড়া থানার কাদিপুর গ্রামের গোপাল বিশ্বাসের ছেলে। দিলীপের বাবা গোপাল বিশ্বাস বলেন, ছেলে আমার হিটস্ট্রোকে মারা গেল। তার অসুখবিসুখ ছিল না। সকালে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। কিছু সময় পরই মারা যায়। টানা তাপপ্রবাহে আম ও লিচুসহ বিভিন্ন ফলের গুটি ঝরে পড়ছে। ছাতা ব্যবহার করে চলাচল করছেন পথচারীরা। যদিও গরম থেকে রক্ষা পেতে নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ইসতিসকার নামাজ আদায় করে প্রার্থনা অব্যাহত রয়েছে। মুসল্লিরা কেঁদে পানির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে ফরিয়াদ জানাচ্ছেন। জানতে চাইলে রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের অবজারভার মো. গাওসুজ্জামান বলেন, তাপমাত্রা আপাতত এ রকমই থাকবে। আপাতত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখছি না। কষ্ট হলেও কিছু করার নেই, অপেক্ষা করতে হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App