×

খবর

পরিবারের দাবি হত্যা

পদ্মা নদী থেকে মাদ্রাসার ছাত্রের লাশ উদ্ধার

Icon

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মাসুম বাদশাহ, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) থেকে : পদ্মা নদী থেকে মাদ্রাসাছাত্র মো. নাঈমের (১০) ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে ফরিদপুর নৌপুলিশ। নাঈম সিংগাইর উপজেলার খাসেরচর গ্রামের মৃত এলাহির ছেলে। সে হরিরামপুর উপজেলার আন্ধারমানিক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মক্তব বিভাগের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল। গতকাল রবিবার সকালে উপজেলার আন্ধারমানিক ট্রলার ঘাট এলাকা থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি নাঈমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। জানা গেছে, নাঈমের বাবা গ্রাম্য প্রাণী চিকিৎসক মো. এলাহী ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে ২ বছর আগে মারা যান। এরপর গত ৭ মাস আগে নাঈমের মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়। তারপর থেকেই সে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চর বালিরটেক এলাকায় নানার বাড়ি থেকে মামাদের তত্ত্বাবধানে আন্ধারমানিক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় পড়াশোনা করছিল। নাঈমের মামা আল আমিন জানান, তিন দিন আগে নাঈমকে মাদ্রাসায় রেখে গেছেন। মাদ্রাসা শিক্ষকরা নাঈমের নিখোঁজের বিষয়টি তাদের জানায়নি। তার এক আত্মীয়ের ছেলে ওই মাদ্রাসাছাত্রের মাধ্যমে রবিবার সকাল ১০টার দিকে জানতে পেরে ট্রলার ঘাটে এসে নাঈমের লাশ শনাক্ত করি। এ বিষয়ে নাঈমের চাচা মো. ফরিদুর রহমান বলেন, আমার ভাতিজার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও ঘাড় ভাঙা মনে হয়েছে। আমার ভাতিজাকে কেউ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। মাদ্রাসা শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের দাবি, নাঈম পদ্মায় গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবার বা থানায় না জানানো প্রসঙ্গে বলেন, এটা তাদের ভুল হয়েছে। হরিরামপুর থানা ওসি শাহ নুর এ আলম জানান, মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজের বিষয়ে মাদ্রাসা থেকে লিখিত বা মৌখিকভাবে জানানো হয়নি। পরে লাশের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়েজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফরিদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী জানান, খবর পেয়ে হরিরামপুর উপজেলার আন্দারমানিক ট্রলার ঘাট থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App