×

খবর

চোর সন্দেহে পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া যুবকের মৃত্যু

Icon

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শাকিল (২৫) নামে এক যুবক মারা গেছেন। গত শনিবার গভীর রাতে মারা যান তিনি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশান নর্দা এলাকায় চোর সন্দেহে আটকের পর মারধর করে একটি বাড়ির ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয়েছিল তাকে। এ ঘটনায় হওয়া মামলার ২ নম্বর আসামি বাড়ির মালিকের ছেলে ইমরান হোসেন শুভকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এখনো মামলার প্রধান আসামি বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক (কেয়ারটেকার) পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে গুলশান থানার এসআই আব্দুল কাইয়ুম জানান, শাকিলের বাড়ি নেত্রকোনার সদর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. আলেক। স্ত্রীসহ পরিবার নিয়ে গুলশান নর্দা এলাকায় থাকেন তিনি। রাজমিস্ত্রির সহযোগীসহ বিভিন্ন সময় নানা কাজ করতেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার নর্দা সরকার বাড়ি ক-২১/২-জি নম্বর বাড়ির কেয়ারটেকার আমিনুল ইসলাম আমিন, বাড়ির মালিকের ছেলে ইমরান হোসেন শুভ, কয়েকজন রাজমিস্ত্রিসহ আরো ৫-৬ জন মিলে শাকিল নামে ওই যুবককে চোর সন্দেহে আটক করে। এরপর হাত-পা বেঁধে তাকে পেটানো হয়। এরপর তাকে ভবনটির ৯ তলার ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করার একপর্যায়ে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়। ঘটনার পর খবর পেয়ে স্বজনরাই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চিকিৎসকরা আইসিইউয়ের কথা বললে স্বজনরা তাকে ধানমন্ডির টুয়েন্টি সেভেন প্লাস নামে একটি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রবিবার সেখানে তার মৃত্যু হয়। এসআই জানান, ঘটনার পরদিন গত শুক্রবার গুলশান থানায় স্বজনরা হত্যার চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন। মামলার পর ২ নম্বর আসামি বাড়িওয়ালার ছেলে ইমরান হোসেন শুভকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান আসামি বাড়িটির কেয়ারটেকার আমিনুল ইসলাম আমিন এখনো পলাতক। তাকেসহ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এক প্রশ্নের জবাবে এসআই কাইয়ুম জানান, যেই চুরির অভিযোগে শাকিলকে মারধরের পর ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয়েছে, এমন চুরির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App